২০২৬ সালের ০৭ সেপ্টেম্বর (2026) প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইন্ডহুকের নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জর্ডান হারম্যানের নিয়ন্ত্রিত ও ঝোড়ো অর্ধশতকে ২০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় প্রোটিয়ারা। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে স্পিনার বিয়র্ন ফরচুইন ও ডুয়ান জানসেনের দুর্দান্ত বোলিং তোপে পড়ে ১৮ ওভারে ১৫৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
দক্ষিণ আফ্রিকার এই বড় সংগ্রহের মূল ভিত্তি গড়ে দেয় উদ্বোধনী জুটি। ওপেনিং জুটিতে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৮৪ রান। ওপেনার জর্ডান হারম্যান মাত্র ২৯ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন। অন্য ওপেনার ও উইকেটরক্ষক কনর এস্টারহুইজেন করেন ২৩ বলে ৩২ রান।
মিডল অর্ডারে রানের গতি সচল রাখেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও রুবিন হারম্যান। ব্রেভিস ২৩ বলে ৩২ রান এবং রুবিন ১৬ বলে ২৭ রান করেন। শেষ দিকে ডুয়ান জানসেনের ১৪ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৫ রানের বিশাল পাহাড় গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে ব্র্যাড ইভানস ৩৬ রানে ২টি এবং নিউম্যান নিয়ামহুরি ৫১ রানে ২টি উইকেট নেন।
পাহাড়সম ২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কোনো রান না করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার বেন কারান, তাকে আউট করেন ইথান বস। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন, তিনি করেন মাত্র ১৬ রান।
এক প্রান্ত আগলে রেখে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কমানোর লড়াই চালিয়ে যান ব্র্যাড ইভানস। তিনি ৩১ বলে ৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৫৬ রানের অপরাজিত ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তবে অন্য প্রান্তে উইকেটের পতন থমকে না থাকায় ১৮ ওভারে ১৫৭ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। রায়ান বার্ল ১৩ এবং মাটিগিমু ১৯ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে বল হাতে অধিনায়ক ও স্পিনার বিয়র্ন ফরচুইন ২৪ রানে ৩টি এবং পেসার ডুয়ান জানসেন ৩৮ রানে ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ইথান বস নেন ২টি উইকেট।
জিম্বাবুয়ে: ১৫৭/১০, ১৮ ওভার (ইভানস ৫৬, মাটিগিমু ১৯, রাজা ১৬, বার্ল ১৩; ফরচুইন ৩/২৪, ডুয়ান ৩/৩৮ ও বস ২/২২-২)।

