পৃষ্ঠা ১corruptionwatchbangladesh
আগস্টে ২৫২ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের ৩৬ জনই শিশু
জাতীয়

আগস্টে ২৫২ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের ৩৬ জনই শিশু

সদ্য বিদায়ী আগস্ট মাসে দেশে ২৫২ জন নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026-09-01) তারিখে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ১ (1)টি বিজ্ঞপ্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতনের এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সংগঠনটির সংকলিত তথ্যানুযায়ী, এই নির্যাতনের ঘটনায় গত মাসে ৫৫ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন আরও ৫৪ জন। প্রতিবেদনে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, আগস্টে ধর্ষণের শিকার হওয়া ৫৪ জনের মধ্যে ৩৬ জনই ছিল কন্যাশিশু।…

এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ দেবে সরকার
জাতীয়

এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ দেবে সরকার

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন ও তার মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও উৎসাহিত করতে এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।…

ডেমরায় বিএনপি নেতার বাসায় ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে গুলি
জাতীয়

ডেমরায় বিএনপি নেতার বাসায় ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে গুলি

রাজধানীর ডেমরা থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম রেজা চৌধুরী সেলিমের বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭৬ সালে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন এবং ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৮১ সালে তিনি নিহত হওয়ার পর ১৯৮৪ সালে খালেদা জিয়া দলের চেয়ারপারসন হন।…

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩২৪
জাতীয়

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩২৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১ হাজার ৩২৪ জন।…

ওসমানীনগরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল নিয়ে মুখোমুখি বিএনপির তিন পক্ষ
জাতীয়

ওসমানীনগরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল নিয়ে মুখোমুখি বিএনপির তিন পক্ষ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ৫৫। সিলেটের ওসমানীনগরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও বিভাজন প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে আয়োজিত পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তিন পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে তাজপুর বাজারে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।…

নোয়াখালীতে রোগীর গলা থেকে চেইন চুরি, এক্স-রেতে মিলল পেটে
জাতীয়

নোয়াখালীতে রোগীর গলা থেকে চেইন চুরি, এক্স-রেতে মিলল পেটে

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এক ভরি ওজনের দুটি সোনার চেইন হারিয়েছেন বিবি ফাতেমা নামের এক নারী। তিনি নোয়াখালী সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসক দেখানোর জন্য লাইনে দাঁড়ানোর সময় এই চুরির ঘটনা ঘটে।…

খুলনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ
জাতীয়

খুলনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৫৫। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।…

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু প্রায় হাজার ছুঁই ছুঁই
জাতীয়

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু প্রায় হাজার ছুঁই ছুঁই

দেশে হামের পরিস্থিতি ক্রমাগত উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম।…

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে যা বললেন হুমায়ুন কবির
জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে যা বললেন হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, উপযুক্ত সময় ও পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন।…

নতুন বোর্ড অব গভর্নরসে যুক্ত হলেন তিন আলেম
জাতীয়

নতুন বোর্ড অব গভর্নরসে যুক্ত হলেন তিন আলেম

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৫৬। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের (ইফা) নতুন বোর্ড অব গভর্নরস গঠন করা হয়েছে।…

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: তারেক রহমান
জাতীয়

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: তারেক রহমান

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর বাংলাদেশে অবশেষে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।…

মক্কা চুক্তিতে যোগদানের আগে লাভ-ক্ষতি খতিয়ে দেখতে চায় বাংলাদেশ
জাতীয়

মক্কা চুক্তিতে যোগদানের আগে লাভ-ক্ষতি খতিয়ে দেখতে চায় বাংলাদেশ

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।…

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু
জাতীয়

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ২০২৭ সালের জাতীয় শিশু-কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।…

৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যায় মিলল নতুন তথ্য
জাতীয়

৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যায় মিলল নতুন তথ্য

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পিএম। দীর্ঘ ৪৫ বছর রহস্যে ঘেরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে নতুন তথ্যের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা।…

বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা ভুল, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা
জাতীয়

বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা ভুল, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়িত হলে তাঁদের বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে—এই ধারণাটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।…

লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কমবে শিগগিরই: তথ্য উপদেষ্টা
জাতীয়

লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কমবে শিগগিরই: তথ্য উপদেষ্টা

দেশে বর্তমানে চলমান লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।…

পৃষ্ঠা ২corruptionwatchbangladesh
মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ
ঢাকা · মাদক

মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মাদক সেবন এবং সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে যুবকদের ডেকে এনে মারধর করে টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী বাড়ির মালিক মো. সুমনের দাবি, ওই বাসায় বসবাসকারী আনিকা লতিফ ও তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছেন। তাদের কক্ষে বিভিন্ন সময় আরও কয়েকজন মাদকসেবীর আসা-যাওয়া ছিল বলেও তিনি জানান।…

শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
সারাদেশ

শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটার আয়োজন করা হয়। এরপর ঢাকঢোলের তালে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।…

কৃষির উন্নয়নই দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি: কৃষিমন্ত্রী
সারাদেশ

কৃষির উন্নয়নই দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের উন্নয়ন হবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর বিএনপি আয়োজিত দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।…

টাঙ্গাইলে নারী সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
সারাদেশ

টাঙ্গাইলে নারী সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

টাঙ্গাইলে এক নারী সাংবাদিককে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও মানহানিকর কথা বলে হেনস্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব। সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।…

মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিএনপি করার সুযোগ নেই: পিন্টু
সারাদেশ

মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিএনপি করার সুযোগ নেই: পিন্টু

মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) কোনো জায়গা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষাউপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। মঙ্গলবার দুপুরে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।…

৪০ বছর ধরে নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবুল হোসেন
সারাদেশ

৪০ বছর ধরে নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবুল হোসেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকায় ফুটপাতে বসে সবজি বীজ বিক্রি করেন মো. আবুল হোসেন। আশির কোঠায় পা রাখা এই বৃদ্ধের দীর্ঘদিনের এক অভ্যাসের কথা স্থানীয়দের সবার জানা, আর তা হলো নিয়মিত পত্রিকা পড়া।…

লালমোহনে ২২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করল কোস্ট গার্ড
সারাদেশ

লালমোহনে ২২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করল কোস্ট গার্ড

ভোলার লালমোহনে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২২ লাখ টাকা মূল্যের ৫ হাজার ৫০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।…

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে সদর উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভা
সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে সদর উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভা

বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও আগমনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি সভা করেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।…

কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে জিম্মি করে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই
সারাদেশ

কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে জিম্মি করে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে ইসলামী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।…

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন
সারাদেশ

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন

বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী রাগিবুল হাসান হৃদয় হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।…

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সারাদেশ

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হত্যা ও গুরুতর আহত মামলায় শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দুলাল আহমদকে (৫৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।…

ঝিনাইদহে পারিবারিক কলহে চাচাতো ভাইয়ের কোপে কৃষকের পা বিচ্ছিন্ন
সারাদেশ

ঝিনাইদহে পারিবারিক কলহে চাচাতো ভাইয়ের কোপে কৃষকের পা বিচ্ছিন্ন

ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজার এলাকায় পারিবারিক কলহ ও পূর্ব বিরোধের জেরে আবু মুসা (৩৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।…

শাহজালাল বিমানবন্দরে পিকআপ দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত
রাজধানী

শাহজালাল বিমানবন্দরে পিকআপ দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।…

পৃষ্ঠা ৩corruptionwatchbangladesh
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চান মোদি
আন্তর্জাতিক

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চান মোদি

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ২৩ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ ও বহুমুখী করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই আগ্রহের কথা জানান।…

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে অনাগ্রহী ইউরোপের দেশগুলো
আন্তর্জাতিক

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে অনাগ্রহী ইউরোপের দেশগুলো

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৫আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ৫৬ ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের বর্তমান দূরত্ব আটলান্টিক জোটের সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও ইউরোপ এখনও মার্কিন নিরাপত্তা সহযোগিতাকে প্রয়োজনীয় মনে করে, তবে ওয়াশিংটনের প্রতিটি কৌশল বা অর্থনৈতিক চাপের পদ্ধতি অন্ধভাবে অনুসরণ করতে তারা আর আগ্রহী নয়।…

পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি
আন্তর্জাতিক

পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি

ইরান, গাজা কিংবা লেবানন নয়—ইসরাইলের জন্য এখন সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠেছে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা। এমনটাই মনে করছেন দেশটির সাবেক জেনারেল, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীদের একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।…

ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক

ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ এএম। ইরানের ওপর আবারও কঠোর হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তারা ইরানের ওপর কঠোর হামলা চালাতে যাচ্ছেন এবং এই পালটা হামলার জবাব দেওয়া হবে।…

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ হারানোর ঝুঁকিতে ভারতীয়রা, এইচ-৪ visa নীতিতে কড়াকড়ি
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ হারানোর ঝুঁকিতে ভারতীয়রা, এইচ-৪ visa নীতিতে কড়াকড়ি

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসাধারীদের নির্ভরশীল স্বামী বা স্ত্রীদের কাজের সুযোগ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) এই নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।…

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনকে শান্তির বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি
আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনকে শান্তির বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে সব ধরনের শান্তিপূর্ণ উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও ভারত এই অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।…

সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক
আন্তর্জাতিক

সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বহুল প্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: এ জার্নি অব লাভ’ ভারতে প্রকাশ না করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।…

পৃষ্ঠা ৪corruptionwatchbangladesh
মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ
ঢাকা · মাদক

মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মাদক সেবন এবং সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে যুবকদের ডেকে এনে মারধর করে টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী বাড়ির মালিক মো. সুমনের দাবি, ওই বাসায় বসবাসকারী আনিকা লতিফ ও তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছেন। তাদের কক্ষে বিভিন্ন সময় আরও কয়েকজন মাদকসেবীর আসা-যাওয়া ছিল বলেও তিনি জানান।…

আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ
রাজনীতি

আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা অফিস ভবনের সামনে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে একদল ব্যক্তি গেরুয়া পাগড়ি পরে উপস্থিত হন। এ সময় তারা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি পত্রিকাটির বিরুদ্ধে নানা স্লোগানও দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের সময় সেখানে পুলিশকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীদের মধ্য থেকে একজন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এই মাটি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ও বিবেকানন্দের মাটি, এটি গেরুয়ার মাটি।…

রাজনীতি

জনগণের আস্থা ধরে রাখাই বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ: রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পিএম। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।…

মক্কা প্যাক্টে সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক, বললেন আসিফ মাহমুদ
রাজনীতি

মক্কা প্যাক্টে সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক, বললেন আসিফ মাহমুদ

মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সরকারের নেওয়া উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে ঢাকায় ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।…

ক্ষমতায় বিএনপি: রাষ্ট্র পরিচালনার চাপে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড
রাজনীতি

ক্ষমতায় বিএনপি: রাষ্ট্র পরিচালনার চাপে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড

প্রায় দুই দশক ক্ষমতার বাইরে থাকার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখন রাষ্ট্রক্ষমতায়। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেক নেতা মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছেন এবং কেন্দ্র ও মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের একটি বড় অংশ সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।…

ক্ষমতায় ফেরার পর দল গোছানোর চ্যালেঞ্জে বিএনপি
রাজনীতি

ক্ষমতায় ফেরার পর দল গোছানোর চ্যালেঞ্জে বিএনপি

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই দলটি দীর্ঘ দেড় যুগের লড়াই-সংগ্রাম শেষে এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।…

মেধা ও নৈতিকতায় দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার আহ্বান ছাত্রশিবিরের
রাজনীতি

মেধা ও নৈতিকতায় দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার আহ্বান ছাত্রশিবিরের

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ০৫।…

পৃষ্ঠা ৫corruptionwatchbangladesh
খেলাপি ঋণ আদায়ে নতুন আইন ও সংশোধনের তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের
অর্থনীতি

খেলাপি ঋণ আদায়ে নতুন আইন ও সংশোধনের তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ৫৬। দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ ও দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের চাপ মোকাবিলায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক যৌথভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান গত ৩১ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে একটি ডিও চিঠি পাঠিয়েছেন।…

কাতারের এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত
অর্থনীতি

কাতারের এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির জেরে কাতার এনার্জির এলএনজি সরবরাহের নিশ্চয়তা কমেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের ওপর। এই জলপথ দিয়ে এলএনজি পরিবহন প্রায় বন্ধ থাকায় ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য জ্বালানি সংগ্রহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কাতার এনার্জি ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ও ইউরোপের বিভিন্ন ক্রেতাকে নোটিশ দিয়ে জানিয়েছে যে, অক্টোবর পর্যন্ত সরবরাহ বাতিল হতে পারে এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সেপ্টেম্বরের পর সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।…

প্যারিসের টেক্সওয়ার্ল্ড মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান
অর্থনীতি

প্যারিসের টেক্সওয়ার্ল্ড মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান

ইউরোপের পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস-২০২৬’ শুরু হয়েছে। প্যারিসের লে বুর্জে প্রদর্শনী কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন গতকাল শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মেলায় বাংলাদেশের ১২টি পোশাক ও টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।…

সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা
অর্থনীতি

সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা

লোকসানে জর্জরিত রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোর আর্থিক সংকটের দায় এখন সোনালী ব্যাংকের ওপর এসে পড়েছে। ব্যাংকটি এসব প্রতিষ্ঠানে যে বিশাল অঙ্কের ঋণ দিয়েছিল, তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিনেও আদায় করতে পারেনি।…

কাজের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
অর্থনীতি

কাজের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪: ৪৪। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কেবল কথার মাধ্যমে নয়, বরং কাজের মাধ্যমেই এই হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।…

পৃষ্ঠা ৬corruptionwatchbangladesh
লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের স্মৃতিতে বন্ধু অ্যালেন গিন্সবার্গ
বিনোদন

লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের স্মৃতিতে বন্ধু অ্যালেন গিন্সবার্গ

হাঙ্গেরীয় লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই ও মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের মধ্যে গড়ে উঠেছিল এক গভীর ও অকৃত্রিম বন্ধুত্ব। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। গিন্সবার্গের মৃত্যুর কয়েক বছর আগে গড়ে ওঠা এই সম্পর্কটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে গিন্সবার্গ কেবল তাকে থাকার জায়গাই দেননি, বরং তার ‘ওয়ার এন্ড ওয়ার’ উপন্যাসটি লেখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।…

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্র্যাক্সিস একাডেমি’
শিক্ষা

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্র্যাক্সিস একাডেমি’

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৩৫। প্রচলিত মুখস্থনির্ভর প্রস্তুতির পরিবর্তে শিক্ষার্থীর শেখার ধরন, পরীক্ষার আগে একজন শিক্ষার্থী কতটা প্রস্তুত, কোন বিষয়ে তার দুর্বলতা এবং কোথায় আরো অনুশীলন প্রয়োজন—এসব তথ্য বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরি করতে যাত্রা শুরু করেছে ডিজিটাল শিক্ষা প্ল্যাটফরম ‘প্র্যাক্সিস একাডেমি’। মঙ্গলবার প্ল্যাটফর্মটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর, প্রযুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক করাই প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম লক্ষ্য।…

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত
শিক্ষা

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।…

শিক্ষায় জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা

শিক্ষায় জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৯। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং জাতীয় বাজেটে এ খাতের বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।…

বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন সংগীতশিল্পী বাদশা
বিনোদন

বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন সংগীতশিল্পী বাদশা

ভারতীয় সংগীতশিল্পী ও র‌্যাপার বাদশা এবং অভিনেত্রী ইশা রিখি তাদের বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে তাদের বিয়ের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, বাদশা এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন কিছু বলেননি।…

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাবিতে শিক্ষক ফোরামের র‍্যালি
শিক্ষা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাবিতে শিক্ষক ফোরামের র‍্যালি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।…

বেরোবির দুই শীর্ষ পদে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার
শিক্ষা

বেরোবির দুই শীর্ষ পদে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শীর্ষ দুটি প্রশাসনিক পদ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রায় আড়াই বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) পদটি খালি পড়ে আছে।…

ফ্রান্সে শুটিং শুরু হতে যাওয়া ‘দ্য অরেঞ্জ’ নিয়ে তৌকীর-চৈতির উচ্ছ্বাস
বিনোদন

ফ্রান্সে শুটিং শুরু হতে যাওয়া ‘দ্য অরেঞ্জ’ নিয়ে তৌকীর-চৈতির উচ্ছ্বাস

ঢাকাই সিনেমার নতুন গল্পের পরিধি এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ফ্রান্সের মাটিতে বিস্তৃত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য অরেঞ্জ’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।…

নতুন কিস্তি নিয়ে ফিরছে মোশাররফ করিমের ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’
বিনোদন

নতুন কিস্তি নিয়ে ফিরছে মোশাররফ করিমের ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’

ট্রাকচালক আব্বাসের অদ্ভুত জীবন ও তার আট বিয়ের বিচিত্র গল্প নিয়ে গড়ে ওঠা জনপ্রিয় ওটিটি সিরিজ ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।…

ঢাবি আইবিএতে পোশাক ব্যবসায় বিনা মূল্যে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা
শিক্ষা

ঢাবি আইবিএতে পোশাক ব্যবসায় বিনা মূল্যে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে দক্ষ ব্যবস্থাপক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)।…

নিজে বদলাব না, চুমু বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রাম কপুর
বিনোদন

নিজে বদলাব না, চুমু বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রাম কপুর

জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রেয়া কালরার গালে হঠাৎ চুমু দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেতা রাম কপুর।…

লাস ভেগাসে বাবার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপনে প্রিন্স জ্যাকসন
বিনোদন

লাস ভেগাসে বাবার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপনে প্রিন্স জ্যাকসন

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তরা তার জন্মদিন উদযাপন করেছেন। এই বিশেষ দিনে প্রয়াত বাবার ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতিকাতর হয়ে উঠলেন তার ছেলে প্রিন্স জ্যাকসন।…

ঢাবি সিন্ডিকেটের বড় সিদ্ধান্ত: ৪ শিক্ষক বরখাস্ত, হলের সময় পরিবর্তন
শিক্ষা

ঢাবি সিন্ডিকেটের বড় সিদ্ধান্ত: ৪ শিক্ষক বরখাস্ত, হলের সময় পরিবর্তন

সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।…

ডাকসুর জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম ঘোষণা
শিক্ষা

ডাকসুর জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম ঘোষণা

২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের সাত বছর পাঁচ মাস পর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রাশেদ খাঁনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।…

পৃষ্ঠা ১২corruptionwatchbangladesh
আদিবাসী পরিচয়ের সংকট ও উত্তরণের বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড
মতামত

আদিবাসী পরিচয়ের সংকট ও উত্তরণের বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড

বাংলাদেশে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর পরিচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল সংকটটি রাজনৈতিক নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্য। ২০০৭ সাল থেকে বেদে ও ডোম জনগোষ্ঠীর মতো প্রান্তিক গোষ্ঠী নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় লেখক রঞ্জনা বিশ্বাস লক্ষ্য করেছেন যে, ‘আদিবাসী’ শব্দের সংজ্ঞা নিয়ে আমাদের সমাজে ব্যাপক বিভ্রান্তি রয়েছে। Indigenous Peoples, Ethnic Community, Tribe বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—এই শব্দগুলোকে পরস্পরের সমার্থক মনে করার প্রবণতা এই বিতর্কের অন্যতম কারণ। জাতিসংঘ বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন নং ১৬৯-এ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কোনো একক ও চূড়ান্ত সংজ্ঞা নেই।

জাতিসংঘ মূলত ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা, পূর্বপুরুষের ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক, স্বতন্ত্র সংস্কৃতি, ভাষা এবং বৃহত্তর সমাজে অবস্থানকে গুরুত্ব দেয়।…

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন ভাবনা
মতামত

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন ভাবনা

গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করা এবং নিজেদের শক্তির জানান দেওয়া। তবে ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় এসব ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এখন পুরো বিষয়টি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে পেন্টাগন এখন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করছে।…

এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে নেওয়ার প্রস্তাব: শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শিক্ষাবিদের আহ্বান
মতামত

এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে নেওয়ার প্রস্তাব: শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শিক্ষাবিদের আহ্বান

বাংলাদেশে বিদ্যমান পরীক্ষাপদ্ধতির কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মহামূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ মাসে দশম শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শেষ হয়, সেখানে বাংলাদেশে এসএসসি পরীক্ষা ও পরবর্তী ভর্তিপ্রক্রিয়া মিলিয়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ মাস সময় লেগে যাচ্ছে। এই দীর্ঘসূত্রতা থেকে মুক্তি পেতে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবর-নভেম্বর মাসে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন বিপিএটিসি স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মো. রওশন জামাল। তিনি নতুন শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি এই শিক্ষাবর্ষের সময়সূচি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন।…

পৃষ্ঠা ৭corruptionwatchbangladesh
মূল পৃষ্ঠা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এর সংবাদ এর বাকি অংশ
পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
আগস্টে ২৫২ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের ৩৬ জনই শিশু

আগস্টে ২৫২ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের ৩৬ জনই শিশু

এ ছাড়া মাসজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের এই হার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আগস্টে প্রতিদিন গড়ে আটজন করে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
নোয়াখালীতে রোগীর গলা থেকে চেইন চুরি, এক্স-রেতে মিলল পেটে

নোয়াখালীতে রোগীর গলা থেকে চেইন চুরি, এক্স-রেতে মিলল পেটে

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, লাইনে দাঁড়ানোর সময় একটি চোর চক্র কৌশলে বিবি ফাতেমাকে ঘিরে ধরে এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। এই সুযোগে চক্রের সদস্যরা চোখের পলকে তাঁর গলা থেকে দুটি সোনার চেইন খুলে নেয়। বিষয়টি টের পেয়ে ভুক্তভোগী নারী চিৎকার শুরু করলে চক্রের তিন সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে। তবে সিনারা বেগম নামের ৫০ বছর বয়সী এক নারীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।

ওই নারী নিজের বাড়ি সিলেট জেলায় বলে জানিয়েছেন। আটকের পর স্থানীয়রা সিনারা বেগমের শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করেও চেইনের কোনো হদিস পাননি। তবে ওই নারীর অস্বাভাবিক নির্লিপ্ততা দেখে লোকজনের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। রহস্য উন্মোচনের জন্য তাঁকে হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

এক্স-রে ফিল্মে দেখা যায়, চেইন দুটি তাঁর পেটের ভেতরে রয়েছে। ঘটনার পর ওই নারীকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম পাটোয়ারীর তত্ত্বাবধানে এন্ডোস্কোপি করার মাধ্যমে সফলভাবে তাঁর পেট থেকে চেইন দুটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা-পুলিশের একটি দল হাসপাতালে পৌঁছায় এবং অভিযুক্ত নারীকে হেফাজতে নেয়।

সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: তারেক রহমান

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে: তারেক রহমান

তিনি উল্লেখ করেন, এই গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তাঁর দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সফররত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি অ্যান্ডা ফিলিপের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে অ্যান্ডা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর দৃঢ় প্রতিশ্রুতির একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিএনপি কেবল বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, এ দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রাও শুরু হয়েছিল এই দলের হাত ধরে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি।

আমাদের দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।" তারেক রহমান আরও বলেন, "বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক।" তিনি বিশ্বাস করেন, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। বৈঠককালে আইপিইউ সেক্রেটারি অ্যান্ডা ফিলিপ জানান যে তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কমবে শিগগিরই: তথ্য উপদেষ্টা

লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কমবে শিগগিরই: তথ্য উপদেষ্টা

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। জাহেদ উর রহমান জানান, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের চাপ বর্তমানে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বর্তমানে যে মাত্রায় লোডশেডিং হচ্ছে, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় লোডশেডিংয়ের যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা অতীতে তুলনামূলক কম ছিল।

আগে ঢাকা শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গ্রামাঞ্চলে বেশি লোডশেডিং দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ সংকটের বোঝা সবার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি হওয়ায় সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি নীতিগত প্রবণতা থাকলেও, সংকটের সময়ে সবাইকে এর চাপ ভাগ করে নিতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তথ্য উপদেষ্টা জানান, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন অবস্থা এড়াতে ঢাকা শহরের ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।

এভাবে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুনর্বণ্টন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম ছিল। বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণ হিসেবে তিনি জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণজনিত সমস্যা, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদাকে দায়ী করেন।

পাশাপাশি, আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘আনইন্টারাপ্টেড বিদ্যুৎ’ সরবরাহের দাবির সত্যতা যাচাইয়ে তথ্য প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান। গত সময়গুলোতে কত মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে এবং আগামী সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিএনপি করার সুযোগ নেই: পিন্টু

মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিএনপি করার সুযোগ নেই: পিন্টু

আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ যারা ধারণ করেন, তাদের মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে মাদক সেবন ও চাঁদাবাজি করলে বিএনপি করা যাবে না। দেশজুড়ে মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পিন্টু বলেন, মাদককে না বলতে হবে এবং দেশকে একটি সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। এছাড়া চাঁদাবাজদের দমন করতে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, শুধু দলের দিকে তাকিয়ে না থেকে যার যার জায়গা থেকে চাকরির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাতে হবে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলু, পৌরসভা বিএনপির সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান গিয়াস, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান ভুট্টো, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার জুলহাস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিব হোসেন কফিল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন প্রমুখ। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ডে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন

বগুড়ায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার এই রায় প্রদান করেন। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত দোষী সাব্যস্ত পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন। রায় অনুযায়ী, আদায়কৃত জরিমানার অর্ধেক অর্থ নিহত হৃদয়ের সন্তানের জন্য বরাদ্দ থাকবে এবং বাকি অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বগুড়া মহানগরের কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় হৃদয়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আসামিরা চাঁদার দাবিতে হামলা চালায়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে হৃদয়কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে অনাগ্রহী ইউরোপের দেশগুলো

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে অনাগ্রহী ইউরোপের দেশগুলো

সাউথ এশিয়া মনিটরে ৩০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত নওয়াব খানের এক বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে এই পরিবর্তনের পেছনে বেশ কিছু কারণ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমত রয়েছে ১. ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’ নীতির তিক্ত অভিজ্ঞতা। ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি বা জেসিপিওএ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপ তা টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মার্কিন সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা এবং মার্কিন বাজারে প্রবেশের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য হয়।

এমনকি ইউরোপের তৈরি বিশেষ বাণিজ্যিক চ্যানেল ‘ইনস্টেক্স’ও কার্যকর হতে ব্যর্থ হয়ে ২০২৩ সালে বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, ২. ইউরোপের স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কিছুটা আলাদা। ওয়াশিংটন সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে তেহরানকে শর্ত মানতে বাধ্য করতে চায়। বিপরীতে, ইউরোপ পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা, ৩. হরমুজ প্রণালি ও জ্বালানি নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য বড় উদ্বেগ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার পক্ষপাতী।

ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি হওয়ায় ইরানকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর সরাসরি বিরূপ প্রভাব ফেলবে, যা ইউরোপের ভোক্তা ও শিল্পের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। তৃতীয়ত, ৪. ইরানের সঙ্গে ইউরোপের কূটনৈতিক যোগাযোগের মূল্য ও বিশ্বাসযোগ্যতা ওয়াশিংটনের তুলনায় বেশি। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের বড় ভূমিকা ছিল। তাই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধের ‘জুনিয়র অংশীদার’ হয়ে সেই কূটনৈতিক সক্ষমতা নষ্ট করতে চাইছে না ইউরোপ।

এছাড়া ট্রাম্পের নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে ইউরোপীয় সরকারগুলোর মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এখন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলে ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন আবার আলোচনার পথে ফিরলে ইউরোপের হারানো সম্পর্ক পুনর্গঠন করা কঠিন হবে। সবশেষে, ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি’ বা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে। নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রেখেও নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করাই এর মূল লক্ষ্য।

ইরান ইস্যু এখন সেই স্বাধীনতার একটি বড় পরীক্ষা। ইউরোপ ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের বিরোধী নয়, তবে চাপের মাত্রা ও লক্ষ্য নির্ধারণে ট্রাম্প প্রশাসনের একক কর্তৃত্ব মেনে নিতে তারা নারাজ। ইরান ইস্যু মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্কের পরিবর্তনের প্রতিফলন, যেখানে ইউরোপ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে লক্ষ্য এক হলেও তা অর্জনের পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে। ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন জেসিপিওএ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপ দীর্ঘদিন চুক্তিটি রক্ষার চেষ্টা করেছিল।

ফলে ইউরোপীয় সরকারগুলোর আশঙ্কা—তারা যদি এখন ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করে, কিন্তু পরে ওয়াশিংটন আবার আলোচনার পথে ফিরে যায়, তাহলে ইউরোপের হারানো সম্পর্ক পুনর্গঠন করা কঠিন হবে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

রাজস্থানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটসহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা অভিযোগ করেছেন যে, বইয়ের কিছু স্পর্শকাতর অংশ বাদ দেওয়ার জন্য প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়ার (পিআরএইচআই) ওপর রাজনৈতিক চাপ ছিল। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং মোদি সরকারের শাসনামলে চীনের ভারতীয় ভূখণ্ড দখলের মতো বিষয়গুলো বই থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া। গত ৩১ আগস্ট সোমবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, স্মৃতিকথাটি প্রকাশ না করার পেছনে কোনো ‘বাইরের চাপ’ কাজ করেনি।

পিআরএইচআইয়ের মুখপাত্র পল্লবী নারায়ণ পিটিআইকে জানান, পাণ্ডুলিপিটি তাদের স্বাভাবিক সম্পাদকীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। সম্পাদনা নিয়ে আলোচনার সময় বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হলেও, একটি ‘নির্দিষ্ট বিষয়ে’ লেখকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। প্রকাশনা সংস্থাটির ভাষ্যমতে, ওই নির্দিষ্ট বিষয়ে সমঝোতা না হওয়ায় লেখকের দলই শেষ পর্যন্ত প্রকাশনা প্রক্রিয়া এগিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যাকে তারা সম্মান জানিয়েছে। তবে চুক্তির গোপনীয়তা এবং লেখকের মর্যাদা রক্ষার খাতিরে সেই নির্দিষ্ট বিষয়টি কী ছিল, তা প্রকাশ করেনি পিআরএইচআই।

তারা জোর দিয়ে বলেছে, একজন প্রকাশক হিসেবে পাণ্ডুলিপি নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া তাদের দায়িত্বের অংশ, আর এ ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক চাপের অস্তিত্ব নেই। এর আগে, বিষয়টি নিয়ে সাবেক মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে, যেখানে বিরোধী দলের নেতারা একে মতপ্রকাশ ও প্রকাশনার স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। বিতর্কের এই মাত্রা আরও বাড়ে যখন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আলফ্রেড এ. নফ, যারা পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউসের একটি ইমপ্রিন্ট, ঘোষণা করে যে বইটি আগামী ১০ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হবে।

সোনিয়া গান্ধীর এই স্মৃতিকথা নিয়ে দীর্ঘদিনের আগ্রহ রয়েছে। বইটিতে তার ইতালিতে শৈশব, যুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপে বেড়ে ওঠা, রাজীব গান্ধীর সাথে বিয়ে, নেহরু-গান্ধী পরিবারের সদস্য হওয়া, স্বামীর হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে তার সক্রিয় হওয়ার মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উঠে আসার কথা রয়েছে। প্রকাশনা সংস্থাটি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে, তারা বইটি প্রকাশ করতে অত্যন্ত আগ্রহী ছিল এবং তাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তবে সেই রহস্যময় ‘নির্দিষ্ট বিষয়’ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে যাওয়ায় বিতর্কটি এখনো পুরোপুরি থামেনি।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ক্ষমতায় বিএনপি: রাষ্ট্র পরিচালনার চাপে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড

ক্ষমতায় বিএনপি: রাষ্ট্র পরিচালনার চাপে স্থবির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড

অনেকে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানেও গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতাদের এই ব্যস্ততা দলটির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট প্রভাব ফেলেছে। এমন প্রেক্ষাপটে আজ ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। ক্ষমতার ছয় মাস পার করার পর দলটির সামনে এখন বড় প্রশ্ন—রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব সামলে সংগঠনকে কতটা সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে।

ক্ষমতার বাইরে থাকা দীর্ঘ দুই দশকে আন্দোলন-সংগ্রামই ছিল বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। এখন সেই জায়গা দখল করেছে সরকার পরিচালনা। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক তৎপরতা আগের তুলনায় কমেছে। দিবসভিত্তিক কর্মসূচির বাইরে বড় ধরনের রাজনৈতিক সক্রিয়তাও এখন আর তেমন চোখে পড়ছে না।

ক্ষমতায় ফেরার পর মাঠপর্যায়ের রাজনীতির চরিত্রও বদলেছে। দীর্ঘ দুই দশক মামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকা নেতা-কর্মীদের অনেকের প্রত্যাশা এখন দলীয় পদ, সরকারি সুবিধা কিংবা স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় সমর্থন পাওয়ার দিকে ঝুঁকেছে। জেলা ও উপজেলায় এখন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন তৎপরতা। ঢাকায় এসে নেতাদের সঙ্গে দেখা করা, এলাকায় নিজেদের প্রভাব জানান দেওয়া এবং স্থানীয় নির্বাচনে সমর্থন নিশ্চিত করাই অনেকের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও বঞ্চনার ক্ষোভ। আন্দোলনে সক্রিয় থাকা নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় ও সুবিধাবাদী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদেরও বিভিন্ন এলাকায় দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনের সময় মাঠে না থাকা ব্যক্তিদের সরকার ও প্রশাসনে জায়গা পাওয়া নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যে নেতা-কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে মব সন্ত্রাস, দখল ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও উঠছে।

গত ২৭ আগস্ট বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, সংশোধন না হলে আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে কারও মুখ দেখা হবে না। দলের নেতাদের আশঙ্কা, এসব প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে একনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়বে এবং দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেন্দ্র থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও মাঠে তা কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটি বড় প্রশ্ন। ক্ষমতার প্রথম ছয় মাসেই জ্বালানি তেলের সংকটের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট প্রকট হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অস্বস্তি রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতো বিরোধী দলগুলো এসব ইস্যুতে সরব। দ্রুত এসব সংকটের সমাধান না হলে বিএনপির ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে। তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মনে করেন, বৈশ্বিক কারণে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট ও দৈব-দুর্বিপাকের জন্য বিএনপি সরকার দায়ী নয়।

সংকট নিরসনে সরকার দিনরাত কাজ করছে বলে তিনি দাবি করেন। সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়েছে এবং স্থায়ী কমিটিতে চারজন নতুন সদস্য যুক্ত করা হয়েছে। নেতারা মনে করছেন, নীতিনির্ধারণী ফোরাম সম্প্রসারণের ফলে সরকার ও সংগঠনের কাজের সমন্বয় বাড়বে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিএনপির সাংগঠনিক শক্তির প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে দলীয় সমর্থন পেতে আগ্রহী নেতার সংখ্যা বাড়ছে, যা অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীর ঝুঁকি তৈরি করছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব স্থানীয় জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক অবদানকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃত্বের মতের সমন্বয় করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের টানাপোড়েন সামলাতে তারেক রহমান বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা সরকারে ব্যস্ত থাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের সামনে আনার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে।

পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা ও নিষ্ক্রিয়দের সরিয়ে সক্রিয়দের সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর মতে, ক্ষমতায় থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন বিএনপির জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট এবং আমলাতন্ত্র থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা না পাওয়ায় রাষ্ট্র পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বিএনপিকে জনগণের কাছে গিয়ে সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত ৪৮ বছরের গৌরবদীপ্ত ইতিহাস ও জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সংগ্রামের পথ বেয়ে তারেক রহমান এখন দেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন। দলের নেতারা মনে করছেন, নীতিনির্ধারণী ফোরাম সম্প্রসারণের ফলে সরকার ও সংগঠনের কাজের সমন্বয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।.সরকারে ব্যস্ত নেতারা, সংগঠনে স্থবিরতাগত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর বিএনপির সামনে দুটি সমান্তরাল দায়িত্ব তৈরি হয়—রাষ্ট্র পরিচালনা ও দলীয় সংগঠন সচল রাখা। মানুষকে বিষয়টি বোঝাতে পারলে তারা নিশ্চয়ই তা মেনে নেবে।.বেড়েছে দায়িত্বওঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল (বিএনপি) নামে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে বিএনপি এবারই প্রথম ক্ষমতায় থে

পৃষ্ঠা ৫ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
প্যারিসের টেক্সওয়ার্ল্ড মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান

প্যারিসের টেক্সওয়ার্ল্ড মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহায়তা এবং প্যারিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় এই ১২টি প্রতিষ্ঠানের ২৪ জন প্রতিনিধি মেলায় যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফের নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলও মেলায় উপস্থিত রয়েছে। মেলার প্রথম দিনে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা। এ সময় ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ ছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ফ্রান্সের সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস বিশ্বজুড়ে পোশাক প্রস্তুতকারক, টেক্সটাইল সরবরাহকারী, ডিজাইনার এবং খুচরা বিক্রেতাদের সংযোগ ঘটানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্যের গুণগত মান, উৎপাদন সক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা বিশ্ববাজারে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। এর মাধ্যমে ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে। মেলা চলাকালীন ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

এর মধ্যে রয়েছে মেসে ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান নির্বাহী, ফ্রান্সের পোশাক ব্র্যান্ড সেলিওর প্রেসিডেন্ট, ইউরোপীয় অ্যান্টি-ফ্রড অফিসের প্রতিনিধি, রেসপনসিবল বিজনেস কনডাক্ট সেন্টারের প্রতিনিধি, ব্যুরো ইন্টারন্যাশনাল দে এক্সপোজিশনসের মহাসচিব এবং ওইসিডি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা। এছাড়া তিনি প্রিমিয়ের ভিশন প্যারিস মেলাও পরিদর্শন করবেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: কমোডা গার্মেন্টস, স্কাইলার্ক নিট কম্পোজিট লিমিটেড, নরবান কমপটেক্স লিমিটেড, ওয়ার্পটেক্স বাংলাদেশ, বিএনএম গার্মেন্টস লিমিটেড, ফেবিট্যাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউনাইটেড ক্রিয়েশন, ফেব্রিকা নিট কম্পোজিট, ডুকাতি অ্যাপারেলস লিমিটেড, কোরাস ফ্যাশন লিমিটেড, বেঙ্গল গ্লোরি লিমিটেড ও সিয়াম ফেব্রিক্স লিমিটেড। মেলার দ্বিতীয় দিন আজ ১ সেপ্টেম্বর তিনি ফ্রান্সের প্রসিদ্ধ পোশাক ব্র্যান্ড সেলিওর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

এরপর ৩ সেপ্টেম্বর তিনি ব্যুরো ইন্টারন্যাশনাল দে এক্সপোজিশনসের মহাসচিব এবং অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) রেসপনসিবল বিজনেস কনডাক্ট সেন্টারের প্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। দুপুরে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদ চত্বরে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান, সিরডাপের মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখর, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ এবং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। এরপর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে শিক্ষার্থীদের হাতে গ্রামীণ জনজীবন ও পল্লী উন্নয়নবিষয়ক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়।

র‍্যালিটি বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। অডিটোরিয়ামে ‘পল্লী উন্নয়ন: জাতীয় অর্থনীতির ভিত্তি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিরডাপের মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখর। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনগণের উন্নতি হলেই রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।

সিরডাপ পল্লীর সমস্যা চিহ্নিত করে সমন্বিত উদ্যোগে সমাধানের চেষ্টা করছে। তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। তিনি পল্লী উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে এ খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করেন।

তিনি জানান, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগ দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বতন্ত্র গ্রামীণ উন্নয়ন ডিগ্রি প্রোগ্রাম। বর্তমানে এখানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে এবং ভবিষ্যতে পিএইচডি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পল্লীর উন্নয়ন মানে শুধু অবকাঠামোর উন্নয়ন নয়; মানুষের জীবনমান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও মর্যাদার উন্নয়নও এর অংশ। জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পল্লীর মানুষের পাশে থেকে উন্নত পল্লী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুর রহমান, রেজিস্ট্রার মো. আবদুল্লাহ মৃহাসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নির্মিত বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়নের ইতিহাস ও অর্জন নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিরডাপের আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় গাকৃবির শিক্ষার্থীদের দল ‘কার্বডিট’-এর আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতি বছর ৬ জুলাইকে ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হলেও ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ফ্রান্সে শুটিং শুরু হতে যাওয়া ‘দ্য অরেঞ্জ’ নিয়ে তৌকীর-চৈতির উচ্ছ্বাস

ফ্রান্সে শুটিং শুরু হতে যাওয়া ‘দ্য অরেঞ্জ’ নিয়ে তৌকীর-চৈতির উচ্ছ্বাস

সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের কার্যালয়ে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এই সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে। পরিচালক স্বপন আহমেদের এই সিনেমায় উঠে আসবে এক তরুণীর জীবনসংগ্রাম ও নানা বাস্তবতার গল্প, যে কিনা নতুন ঠিকানার সন্ধানে ফ্রান্সে পাড়ি জমায়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গল্প ও নির্মাণ ভাবনায় সিনেমাটি প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই সিনেমাটির পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানান নির্মাতা। সব প্রস্তুতি শেষে আগামী সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে। সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তৌকীর আহমেদ, স্বর্ণালী চৈতি ও ফাইজুল ইয়ামিনসহ আরও অনেকে। তৌকীর আহমেদ বলেন, তিনি এমন সিনেমা নির্মাণে বিশ্বাসী যা দর্শককে শুধু বিনোদন দেয় না, বরং ভাবতে শেখায় এবং নতুন প্রশ্নের মুখোমুখি করে।

এই সিনেমাটি সেই ধারারই একটি কাজ। অন্যদিকে, চিত্রনাট্য পড়ার পর থেকেই নিজের চরিত্রের সঙ্গে মানসিকভাবে একাত্মতা অনুভব করছেন স্বর্ণালী চৈতি। চরিত্রটিকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনয়ের বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। এছাড়া ফাইজুল ইয়ামিনের জন্য এটি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র।

এর আগে গত রোজার ঈদে রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয়। নতুন সিনেমায় যুক্ত হতে পেরে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফাইজুল বলেন, ‘দ্য অরেঞ্জ’ একেবারেই ভিন্ন ধরনের একটি সিনেমা এবং এমন কাজের অংশ হতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন। পুরো টিম নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে সিনেমাটি অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ঢাবি সিন্ডিকেটের বড় সিদ্ধান্ত: ৪ শিক্ষক বরখাস্ত, হলের সময় পরিবর্তন

ঢাবি সিন্ডিকেটের বড় সিদ্ধান্ত: ৪ শিক্ষক বরখাস্ত, হলের সময় পরিবর্তন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিরোধিতার অভিযোগে তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগে সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে (সায়েম রানা) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের সভায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অন্য তিন শিক্ষক হলেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তাদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। এদিকে, সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে আনা নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আলাদা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। জানা গেছে, সংগীত বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে সংগীত বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। অথচ ড. জিয়াউর রহমান ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স এবং সংগীত বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

তিনি কীভাবে এই পদে নিয়োগ পেলেন, তা খতিয়ে দেখছে তদন্ত কমিটি। শিক্ষক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলগুলোর গেট বন্ধের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও হয়েছে এই সভায়। এখন থেকে ছাত্রী হলগুলোর গেট রাত ১০টার পরিবর্তে রাত ১১টায় বন্ধ হবে। সিন্ডিকেটের এই সিদ্ধান্তের ফলে ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা এক ঘণ্টা বৃদ্ধি পেল।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ৪৫আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ৪৭ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিরোধিতার অভিযোগে তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক

পৃষ্ঠা ৮corruptionwatchbangladesh
মূল পৃষ্ঠা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ এর সংবাদ এর বাকি অংশ
পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ দেবে সরকার

এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ল্যাপটপ দেবে সরকার

এর আগে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ ১৬ হাজার ট্যাব বিতরণের পরিকল্পনা করেছেন। একই সঙ্গে মাধ্যমিক পর্যায়ের মেয়েদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করতে প্রতিটি ক্লাসে ‘পিংকি মোটরসাইকেল’ উপহার দেওয়ার কথাও জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এগুলোর সবই হচ্ছে শিক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য।’ উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। সেই ফলাফলে সব বোর্ড মিলিয়ে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।

তবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আলাদাভাবে জানানো হয়নি।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
খুলনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

খুলনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর শিববাড়ি মোড়ের জিয়া হল চত্বরে নেতাকর্মীরা জমায়েত হন। সমাবেশ শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি বের করা হয়, যা নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রয়্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল বারী হেলাল এমপি। এছাড়া বিশেষ বক্তা ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি, আমির এজাজ খান এমপি, কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং ওয়াসার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি। এছাড়া সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং জেলা সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বিএনপির এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী র‍্যালিতে অংশ নেন।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মক্কা চুক্তিতে যোগদানের আগে লাভ-ক্ষতি খতিয়ে দেখতে চায় বাংলাদেশ

মক্কা চুক্তিতে যোগদানের আগে লাভ-ক্ষতি খতিয়ে দেখতে চায় বাংলাদেশ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো বহুপক্ষীয় ফোরামে যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশ সবসময় 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' বা জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার নীতি অনুসরণ করে থাকে। এই চুক্তিতে যুক্ত হলে দেশের জনগণের কতটা লাভ হবে এবং সার্বিক সুবিধা কী—তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে তবেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও জানান, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি উন্মুক্ত রয়েছে এবং সরকার পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

এ বিষয়ে তার কাছে ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সুমনের অভিযোগ, আনিকার সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে আনিকা তাকে আশুলিয়ার বলিভদ্র এলাকায় দেখা করার কথা বলে নিয়ে যান। সেখানে পোশাক কারখানার সুপারভাইজার আব্দুল্লাহর সহযোগিতায় তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ওই সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। সুমনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে বাসায় থাকা আনিকার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তবে তার বক্তব্যও নেওয়ার চেষ্টা করেন সাংবাদিকরা।

ঘটনাস্থলে থাকা একটি মোবাইল ফোনে আনিকা ও তার স্বামীকে মাদক সেবন করতে দেখা যায় এমন একটি ভিডিও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এছাড়া ওই বাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার আরও কিছু তথ্য ও ভিডিও থাকার কথা জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। বিষয়টি জানার পর ওই বাসার বাড়িওয়ালা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানান। পরে আশুলিয়া থানার এসআই জহরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান।

বাড়ির মালিক ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মাদক সেবন, যুবককে ডেকে নিয়ে মারধর এবং তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধারেরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই জোহরুল ইসলাম পোশাক কারখানার সুপারভাইজার আব্দুল্লাহর একটি অভিযোগের কথা বলেন বলে অভিযোগকারী পক্ষ দাবি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা এসআই জোহরুল ইসলামের কাছে জানতে চান, তিনি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে এসেছেন এবং তার কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আছে কি না।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের দাবি, এ সময় এসআই জোহরুল কোনো লিখিত অভিযোগ দেখাতে পারেননি। তিনি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে এসেছেন, সেটিও স্পষ্ট করেননি। পরে আব্দুল্লাহর একটি লিখিত অভিযোগের কথা সামনে আসে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, থানায় ওই অভিযোগ করেছেন যে ব্যক্তি, তিনিই ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সঙ্গে জড়িত।

আব্দুল্লাহর সঙ্গে ওই ঘটনার সম্পৃক্ততার বিষয়ে ভিডিও ফুটেজ এবং তার নিজের বক্তব্যও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ৯৯৯-এ ফোন করা হয়েছিল মাদক সেবন, যুবককে মারধর এবং তার কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা নেওয়ার বিষয় জানিয়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। বরং এসআই জহিরুল ইসলাম আব্দুল্লাহর অভিযোগের বিষয়টি সামনে এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে এসআই জহিরুল ওই লিখিত অভিযোগের বাদী আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ সময় ভুক্তভোগী তার মালামাল ফেরত না পেয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে এসআই জহিরুল ইসলামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী বাড়ির মালিক, ভুক্তভোগী ও ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, ৯৯৯-এ অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যদি অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তও না করে, তাহলে ওই অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কীভাবে?

আর যদি একজন ব্যক্তিকে মারধর করে তার মোবাইল ও টাকা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়, তাহলে তার কাছ থেকে নেওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করা হলো না কেন? অভিযোগকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা ভিডিও, মাদক সেবনের ফুটেজ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং ভুক্তভোগীর অভিযোগ যাচাই করলেই ঘটনার সত্যতা অনেকটাই পরিষ্কার হতে পারে। ঘটনার বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে এসআই জোহরুল ইসলামকে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা অভিযোগকারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি, এসআই জোহরুল সেখানে গিয়ে মূল অভিযোগের বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে পাল্টা অভিযোগের কথা বলেন।

ঘটনার বিষয়ে এসআই জোহরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’ এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কি আপনাকে অভিযুক্তদের সহযোগিতা করতে বলেছেন?’ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ঘটনাটি নিয়ে বাড়ির মালিক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, ৯৯৯-এ করা কলের রেকর্ড, ঘটনাস্থলের ভিডিও, মাদক সেবনের ভিডিও, ভুক্তভোগীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে যুবককে ডেকে এনে মারধর ও তার কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা নেওয়ার অভিযোগেরও তদন্ত দাবি করেছেন তারা।

পাশাপাশি এসআই জোহরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে কেন মূল অভিযোগের ব্যবস্থা না নিয়ে পাল্টা অভিযোগের কথা বললেন, কেন ভুক্তভোগীর মালামাল উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হলো না এবং কেন অভিযোগকারী আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেন, এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং ভিডিও ফুটেজ ও ৯৯৯-এর কলের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
৪০ বছর ধরে নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবুল হোসেন

৪০ বছর ধরে নিয়মিত পত্রিকা পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আবুল হোসেন

প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি প্রতিদিন একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা কিনে পড়ছেন। বয়সের কারণে দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে আসায় দূরের লেখা ঝাপসা দেখেন, তাই পত্রিকা এখন চোখের খুব কাছে টেনে নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয় তাকে। তবুও তার এই পড়ার নেশায় কোনো ভাটা পড়েনি। আবুল হোসেন আখাউড়া পৌর শহরের রাধানগর এলাকার বাসিন্দা।

স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তার পরিবার। সন্তানরা আলাদা থাকায় বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তার পত্রিকা পড়ার প্রবল আগ্রহ ছিল। তবে অভাবের কারণে তখন পত্রিকা কেনার সামর্থ্য ছিল না, তাই বাজারের লাইব্রেরি বা বইয়ের দোকানে বসে তিনি পত্রিকা পড়তেন।

কর্মজীবনে একটি কোম্পানিতে ৩০ বছর চাকরি করার পর অবসর নেন তিনি। চাকরি থেকে অবসরের পর অনেকটা বেকার হয়ে পড়লে জীবিকার তাগিদে তিনি সড়ক বাজারে ফুটপাতে সবজি বীজ বিক্রি শুরু করেন। ব্যবসার ব্যস্ততা কিংবা বয়সের প্রতিকূলতা তাকে তার প্রিয় অভ্যাস থেকে দূরে সরিয়ে নিতে পারেনি। আবুল হোসেনের পড়ার তালিকায় থাকে রাজনীতি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, খেলাধুলা এবং গ্রামবাংলার বিভিন্ন খবর।

তিনি জানান, পত্রিকা পড়লে দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। ঝড়-বৃষ্টি বা যেকোনো পরিস্থিতিতেই তিনি পত্রিকা কেনা বাদ দেন না। অনেক সময় মানুষ তার কাছে এসে বিভিন্ন খবরের তথ্য জানতে চায়, আর নিয়মিত পাঠক হওয়ার কারণে তিনি তাদের সঠিক তথ্য দিতে পারেন। স্থানীয়রা তাকে ‘পত্রিকাপ্রেমী আবুল হোসেন’ নামেই চেনেন।

স্থানীয় হকার মো. শাহআলম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকা বিক্রি করছেন, কিন্তু আবুল হোসেনের মতো এমন নিয়মিত পাঠক খুব কমই দেখেছেন। সড়ক বাজারের ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেন জানান, আবুল হোসেনকে প্রতিদিন সবজি বীজ বিক্রির ফাঁকে পত্রিকা পড়তে দেখে তার নিজের মধ্যেও পত্রিকা পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়েছে। জীবনের নানা ব্যস্ততা, বয়সের ভার কিংবা চোখের দুর্বলতা কোনোটিই আবুল হোসেনের পত্রিকা পড়ার আগ্রহকে থামাতে পারেনি। তার কাছে পত্রিকা শুধু খবর জানার মাধ্যম নয়, বরং দীর্ঘদিনের এক প্রিয় সঙ্গী।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোলাপগঞ্জ থানাধীন দুধের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুলাল আহমদ উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের কালীকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত ইস্কন্দর আলীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুলাল আহমদ গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ২৮ আগস্ট ২০২৪ সালের একটি বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি। এছাড়া ৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালে দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুরুতর আহত সংক্রান্ত আরেকটি মামলারও এজাহারনামীয় আসামি তিনি।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো: ছবেদ আলী জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুলাল আহমদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি

পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি

এর পেছনে সরকারের সমর্থন ও নিরাপত্তা কাঠামোর একাংশের সহযোগিতা রয়েছে। বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর, মসজিদ ও গ্রামে হামলা চালাচ্ছেন, আগুন দিচ্ছেন। তাদের জমি ও গবাদিপশু দখলেরও অভিযোগ রয়েছে। ইসরাইলের সাবেক মেজর জেনারেল আইয়াল বেন-রুভেন সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন।

সেখানে তিনি বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেখেছেন লুট হওয়া একটি স্কুলের ধ্বংসাবশেষও। বেন-রুভেনের সামরিক জীবনের বড় অংশ কেটেছে ইসরাইলের হয়ে যুদ্ধ করে। ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে তার প্লাটুন প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।

পরে তিনি পশ্চিম তীরে একটি ডিভিশনের নেতৃত্ব দেন। ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধেও ইসরাইলের স্থলবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। এখন সেই সাবেক জেনারেলই বলছেন, ইসরাইলের নিরাপত্তা নিয়ে তার ধারণা বদলে গেছে। বেন-রুভেন বলেন, ‘বসতিস্থাপনকারীরা এখানে যা করছে, সেটিই ইসরাইলের জন্য প্রকৃত হুমকি।

ইরান, গাজা কিংবা লেবাননের চেয়েও এটি আমাকে বেশি উদ্বিগ্ন করছে।’ তার সঙ্গে সফরে থাকা সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এফ্রাইম স্নেহ বলেন, ‘সহজভাবে বললে, এটি জাতিগত নির্মূল।’ ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলার পর থেকে দেশটি একের পর এক যুদ্ধে জড়িয়েছে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরাইলি নিহত হন। এরপর গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়। এতে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং কয়েক দশক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে দুই দফা সংঘর্ষ হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধেও দুটি সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। এসব সংঘাতের আড়ালে পশ্চিম তীরে আরেকটি সংঘাত তীব্র হয়েছে। সশস্ত্র ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর, মসজিদ ও গ্রামে হামলা চালাচ্ছেন।

কোথাও আগুন দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব হামলার উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনিদের ওই এলাকা থেকে বিতাড়িত করা। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারীরা হাজারো হামলা চালিয়েছেন। এতে হাজারো ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

চলতি বছরেই বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় ৩ হাজার ২০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই হার দ্বিগুণ। জাতিসংঘ বলছে, ২০২০ সালে বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় গড়ে প্রতি তিন দিনে একজন ফিলিস্তিনি আহত হতেন। ২০২৬ সালে সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিদিন তিনজনের বেশি।

ইসরাইলের পশ্চিম তীরে দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ সামরিক কমান্ডারও সতর্ক করেছেন, এই সহিংসতা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে ইসরাইলের ভেতরে ক্ষোভও বাড়ছে। জুনে ২০০-এর বেশি প্রভাবশালী ইসরাইলি একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন দুজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, ৩০-এর বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা ও বিমানবাহিনীর জেনারেল এবং দেশটির বিদেশ ও অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানেরা।

ছিলেন রাব্বি, নোবেল পুরস্কারজয়ী ব্যক্তি ও একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিকও। চিঠিতে তারা পশ্চিম তীরে ‘ইহুদি সন্ত্রাস’ ও ‘জাতিগত নির্মূল’ বন্ধের দাবি জানান। স্বাক্ষরকারীদের অনেকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল থেকেও এসেছেন। তাদের অনেকেই একসময় কঠোর নিরাপত্তাপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

চিঠিতে বলা হয়, নেতানিয়াহু সরকার শুধু বসতিস্থাপনকারীদের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়নি। বরং এটি একটি ‘পরিকল্পিত সরকারি নীতি’ অনুসরণ করছে। সামরিক বাহিনী, শিন বেত ও পুলিশসহ পুরো নিরাপত্তা কাঠামো এতে জেনেশুনে জড়িত বলে তাদের অভিযোগ। অবৈধ ইসরাইলি বসতি ও খামার গড়ে তুলতে সরকারি অর্থ ব্যয়েরও হিসাব চেয়েছেন তারা।

এসব স্থাপনায় রাস্তা, পানি, বিদ্যুৎ, যানবাহন ও অস্ত্র সরবরাহে কত অর্থ ব্যয় হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আরো অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার সময় অনেক ক্ষেত্রে ইসরাইলি সেনারা দাঁড়িয়ে থাকে। কোথাও কোথাও সেনারা বসতিস্থাপনকারীদের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনি গ্রামেও হামলা চালায়। চারজন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আজরিয়েল নেভো পশ্চিম তীরে যা দেখেছেন, তা ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, তিনি যেসব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের কেউ এমন ঘটনা ঘটতে দিতেন না। এই সমালোচনার গুরুত্ব আরো বেশি। কারণ এসব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনেকেই নিজের সামরিক জীবনে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, তখন তারা ইসরাইলের নিরাপত্তার স্বার্থে সামরিক কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থার অধীনে কাজ করেছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, এখন সহিংসতা নিয়ন্ত্রণহীন ও নির্বিচার। নিরপরাধ বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য পশ্চিম তীরের বড় অংশ থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে সেখানে ইসরাইলিদের বসতি স্থাপন এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা শেষ করা।

কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান হামলাকে নাৎসিবাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ইসরাইলে এই তুলনা অত্যন্ত বিতর্কিত। কারণ ইউরোপে নাৎসি নিপীড়নে বহু ইহুদি পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়েছিল। সাবেক সেনাপ্রধান ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালন সম্প্রতি পশ্চিম তীরের উগ্র ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের আদর্শের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার জার্মানির তুলনা করেন।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ব কী?’ হলোকাস্টের ৮০ বছর পর পরিস্থিতিকে ‘উল্টো মাইন ক্যাম্পফ’ হিসেবে উল্লেখ করে ইয়ালন বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ জাতি আমরা।’ নেতানিয়াহুর কার্যালয় এসব অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য করেনি। পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারীদের হামলা নিয়ে তথ্য চাইলেও সরকার একাধিক অনুরোধের জবাব দেয়নি। এর আগে নেতানিয়াহু বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘মুষ্টিমেয় কয়েকজন তরুণের’ বেআইনি কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী আবার বলেছেন, ‘ইহুদি সন্ত্রাস’ বলে কিছু নেই।

তবে বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ে চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রও এর নিন্দা জানিয়েছে। সম্প্রতি বসতিস্থাপনকারীরা কয়েকটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ঘেরাও করেন। এর একটি বাড়ির মালিক ছিলেন একজন মার্কিন নাগরিক।

এর পর নেতানিয়াহু এক বিরল বিবৃতিতে এসব ঘটনাকে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলেন। তার মতে, এতে আইন মেনে চলা বসতিস্থাপনকারীদের ‘ব্যাপক ক্ষতি’ হচ্ছে এবং বিশ্বে ইসরাইলের অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী অবশ্য বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতায় সহযোগিতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, পশ্চিম তীরে তাদের দায়িত্ব হলো ‘সব বাসিন্দাকে সুরক্ষা দেওয়া’।

সামরিক বাহিনী বলেছে, কোনো সেনা বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় অংশ নিলে বা হামলার সময় দাঁড়িয়ে থাকলে তিনি তার আদেশ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছেন। পশ্চিম তীরের বুরিন গ্রামে সাবেক ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সামনে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ফিলিস্তিনি কৃষক বাশার ঈদ। লাঠিতে ভর দিয়ে তিনি তাদের বাড়ির ছাদে নিয়ে যান। তার দাবি, বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়েছেন।

তিনি বলেন, পাহাড়ের আশপাশে থাকা বসতিস্থাপনকারীদের ঘাঁটি থেকে প্রায় প্রতিদিন তার গ্রামে হামলা হয়। এমনকি ইহুদিদের বিশ্রামের দিন সাবাথেও তারা সেখানে আসেন। একদিন নিজের জমিতে এক কিশোর বসতিস্থাপনকারীকে দেখতে পান ঈদ। কী করছে জানতে চাইলে কিশোরটি তাকে চুপ করতে বলে।

অন্যথায় তার অন্য পা-টিও ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। ঈদ বলেন, ‘একটি শিশু আমাকে এ কথা বলেছে।’ হামলার ভয়ে এখন আর নিজের জমিতে চাষ করতে পারেন না তিনি। দিনের বড় সময় বাড়ির ছাদে বসে বসতিস্থাপনকারীদের গতিবিধি দেখেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কী করব।

ওরা আমার বাড়ি নিয়ে নিতে চায়।’ সফরে থাকা সাবেক এক প্রধান রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি প্রশ্ন করেন, ইসরাইলি বাহিনী যখন ফিলিস্তিনিদের রক্ষা করছে না, তখন তারা নিজেদের রক্ষা করেন না কেন। ঈদ বলেন, তিনি নিজেকে রক্ষা করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে বলে ভয় পান। সফর আয়োজনকারী সাবেক জেনারেল ইয়াকভ অর বলেন, ফিলিস্তিনিরা সহিংসভাবে প্রতিরোধ করলে বসতিস্থাপনকারীদের পাল্টা হামলা আরো কঠোর হতে পারে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীও তখন অভিযানে নামতে পারে।

পশ্চিম তীরের জর্ডান উপত্যকায় গত কয়েক বছরে বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতায় কয়েকটি ফিলিস্তিনি জনপদ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর একটি হামামাত আল-মালেহ। ফেব্রুয়ারিতে সেখানে কয়েকটি পরিবারকে উসমানীয় আমলের একটি পাথরের ভবনে আশ্রয় নিতে দেখা যায়। তারা খালি মেঝেতে গাদাগাদি করে থাকতেন।

৩৭ বছর বয়সি মোহাম্মদ খলিল বলেন, ‘আমরা এক ঘণ্টাও ঘুমাতে পারি না। তারা যখন আসে, আর আপনি ঘুমিয়ে থাকেন, তাহলে বাঁচবেন না।’ সেখানে দাতাদের অর্থে তৈরি একটি স্কুলও ছিল। তবে শিক্ষার্থীরা সবাই চলে যাওয়ায় স্কুলটি বন্ধ ছিল। মার্চে বসতিস্থাপনকারীদের ধারাবাহিক হামলা, লুটপাট ও চুরির পর খলিলসহ শেষ পরিবারগুলোও এলাকা ছেড়ে যায়।

এরপর বাসিন্দা ও অধিকারকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বসতিস্থাপনকারীরা বুলডোজার দিয়ে স্কুলটি গুঁড়িয়ে দেয়। পরে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পাসওভার উৎসব উদ্‌যাপনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। জুনের শেষ দিকে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলরা সেখানে পৌঁছানোর সময় পুরো জনপদটি ফাঁকা। ধ্বংস হওয়া স্কুল দেখে ক্ষুব্ধ হন সাবেক বিমানবাহিনী জেনারেল নেহেমিয়া ডাগান।

তিনি বলেন, ‘যখন আপনি বই পোড়ান, জ্ঞান ধ্বংস করেন এবং শিশুদের ওপর হামলা করেন, তখন আপনি জার্মানদের মতো আচরণ করছেন।’ ৮৬ বছর বয়সি ডাগান বলেন, ‘আমরা নিজেদের হারিয়ে ফেলেছি। এই লড়াইটিও আমরা হেরে গেছি।’ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের আলাদা হতে হবে। তাদের জন্য নয়, আমাদের নিজেদের জন্য।’ সফরের শেষ দিকে উত্তর জর্ডান উপত্যকার একটি অনুর্বর এলাকায় যান সাবেক জেনারেলরা। সেখানে এক তরুণ ফিলিস্তিনি কৃষক তাদের নিজের জমির দিকে দেখান।

পেছনের পাহাড়ে বসতিস্থাপনকারীদের একটি ঘাঁটি। তার ওপর ইসরাইলি পতাকা উড়ছে। সামনেও সারি করে ইসরাইলি পতাকা পোঁতা। কাছেই একটি বেড়া দেওয়া হয়েছে।

এতে কৃষকের জমিটি অনেকটা ঘেরের মতো হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘ছয় মাস আগে এটি আমাদের জমি ছিল। এখন এটি জেলের মতো।’ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের জীবন স্বাভাবিক ছিল। তারা চাষ করতেন, ভেড়া চরাতেন এবং নিজেদের মতো চলাফেরা করতেন।

প্রথম বসতিস্থাপনকারীরা পাহাড়ে অবস্থান নেওয়ার পর সব বদলে যায়। কৃষক বলেন, জমিতে যাওয়ার চেষ্টা করলেই বসতিস্থাপনকারীরা পুলিশে খবর দেয়। তাকে চারবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতিবারই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বসতিস্থাপনকারীদের হয়রানি কিংবা পানির ট্যাংক নষ্ট করার অভিযোগ জানাতে পুলিশকে ফোন করলে কেউ সাড়া দেয় না বলে তার অভিযোগ। ইসরাইলের জাতীয় পুলিশ অবশ্য বলেছে, সন্দেহভাজন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিটি অভিযোগ ও ঘটনা তারা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে। জমিতে যেতে না পারায় কৃষক তার ভেড়াগুলোও বিক্রি করে দেন। কারণ, সেগুলো চরাতে না পারলে বসতিস্থাপনকারীদের হাতে হারানো অথবা খাবারের অভাবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

সফরে থাকা অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজেরাও ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের কেউ কেউ এমন হামলার অনুমোদন দিয়েছেন, যেখানে শিশু নিহত হওয়ার আশঙ্কাও তারা জানতেন। তাদের যুক্তি ছিল, এসব পদক্ষেপ ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন। কিন্তু পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারীদের বর্তমান হামলা ইসরাইলকে নিরাপদ করছে না বলে মনে করেন তারা।

বরং এর বিপরীতটাই ঘটছে বলে তাদের আশঙ্কা। সাবেক বিমানবাহিনী জেনারেল আসাফ আগমন বলেন, ‘ইসরাইলের ভাবমূর্তি, কূটনৈতিক মূল্য এবং সামরিক বাহিনীকে একসঙ্গে ধরে রাখা মূল মূল্যবোধগুলো নষ্ট করে আপনি কিছুই অর্জন করতে পারবেন না।’ ৭৮ বছর বয়সি আগমনের নাতি একজন ইসরাইলি সেনা ছিলেন। গত বছর লেবাননে তিনি নিহত হন। আগমন বলেন, ‘আমার পরিবার ও আমি এই দেশের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য দিয়েছি।’ এরপর তার বক্তব্য আরো কঠোর হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ এখানে যা করছে, তাতে আমি লজ্জিত।’ একসময় যারা ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুদ্ধ করেছেন, তাদেরই কেউ কেউ এখন বলছেন, পশ্চিম তীরের এই সহিংসতা শুধু ফিলিস্তিনিদের জীবনকেই বিপন্ন করছে না। এটি ইসরাইলের গণতন্ত্র, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭: ৫৬আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮: ১৩

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

মাদক-‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাশে এসআই জহরুল? ৯৯৯-এর পর মূল অভিযোগ পাশ কাটিয়ে ‘সহায়তার’ অভিযোগ

এ বিষয়ে তার কাছে ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সুমনের অভিযোগ, আনিকার সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে আনিকা তাকে আশুলিয়ার বলিভদ্র এলাকায় দেখা করার কথা বলে নিয়ে যান। সেখানে পোশাক কারখানার সুপারভাইজার আব্দুল্লাহর সহযোগিতায় তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ওই সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। সুমনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে বাসায় থাকা আনিকার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তবে তার বক্তব্যও নেওয়ার চেষ্টা করেন সাংবাদিকরা।

ঘটনাস্থলে থাকা একটি মোবাইল ফোনে আনিকা ও তার স্বামীকে মাদক সেবন করতে দেখা যায় এমন একটি ভিডিও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এছাড়া ওই বাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার আরও কিছু তথ্য ও ভিডিও থাকার কথা জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। বিষয়টি জানার পর ওই বাসার বাড়িওয়ালা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানান। পরে আশুলিয়া থানার এসআই জহরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান।

বাড়ির মালিক ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মাদক সেবন, যুবককে ডেকে নিয়ে মারধর এবং তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধারেরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই জোহরুল ইসলাম পোশাক কারখানার সুপারভাইজার আব্দুল্লাহর একটি অভিযোগের কথা বলেন বলে অভিযোগকারী পক্ষ দাবি করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা এসআই জোহরুল ইসলামের কাছে জানতে চান, তিনি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে এসেছেন এবং তার কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আছে কি না।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের দাবি, এ সময় এসআই জোহরুল কোনো লিখিত অভিযোগ দেখাতে পারেননি। তিনি কোন অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে এসেছেন, সেটিও স্পষ্ট করেননি। পরে আব্দুল্লাহর একটি লিখিত অভিযোগের কথা সামনে আসে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, থানায় ওই অভিযোগ করেছেন যে ব্যক্তি, তিনিই ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সঙ্গে জড়িত।

আব্দুল্লাহর সঙ্গে ওই ঘটনার সম্পৃক্ততার বিষয়ে ভিডিও ফুটেজ এবং তার নিজের বক্তব্যও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ৯৯৯-এ ফোন করা হয়েছিল মাদক সেবন, যুবককে মারধর এবং তার কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা নেওয়ার বিষয় জানিয়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। বরং এসআই জহিরুল ইসলাম আব্দুল্লাহর অভিযোগের বিষয়টি সামনে এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে এসআই জহিরুল ওই লিখিত অভিযোগের বাদী আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ সময় ভুক্তভোগী তার মালামাল ফেরত না পেয়েই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। ঘটনার পর থেকে এসআই জহিরুল ইসলামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী বাড়ির মালিক, ভুক্তভোগী ও ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, ৯৯৯-এ অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যদি অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তও না করে, তাহলে ওই অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কীভাবে?

আর যদি একজন ব্যক্তিকে মারধর করে তার মোবাইল ও টাকা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়, তাহলে তার কাছ থেকে নেওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করা হলো না কেন? অভিযোগকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা ভিডিও, মাদক সেবনের ফুটেজ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং ভুক্তভোগীর অভিযোগ যাচাই করলেই ঘটনার সত্যতা অনেকটাই পরিষ্কার হতে পারে। ঘটনার বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে এসআই জোহরুল ইসলামকে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা অভিযোগকারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি, এসআই জোহরুল সেখানে গিয়ে মূল অভিযোগের বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে পাল্টা অভিযোগের কথা বলেন।

ঘটনার বিষয়ে এসআই জোহরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’ এ সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, ‘ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কি আপনাকে অভিযুক্তদের সহযোগিতা করতে বলেছেন?’ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ঘটনাটি নিয়ে বাড়ির মালিক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, ৯৯৯-এ করা কলের রেকর্ড, ঘটনাস্থলের ভিডিও, মাদক সেবনের ভিডিও, ভুক্তভোগীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে যুবককে ডেকে এনে মারধর ও তার কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা নেওয়ার অভিযোগেরও তদন্ত দাবি করেছেন তারা।

পাশাপাশি এসআই জোহরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে কেন মূল অভিযোগের ব্যবস্থা না নিয়ে পাল্টা অভিযোগের কথা বললেন, কেন ভুক্তভোগীর মালামাল উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হলো না এবং কেন অভিযোগকারী আব্দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেন, এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং ভিডিও ফুটেজ ও ৯৯৯-এর কলের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ক্ষমতায় ফেরার পর দল গোছানোর চ্যালেঞ্জে বিএনপি

ক্ষমতায় ফেরার পর দল গোছানোর চ্যালেঞ্জে বিএনপি

তবে ক্ষমতার এই সুসময়েও দলটির সামনে নতুন করে সংগঠন গোছানোর চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এদিকে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানোত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি’র সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে, যা ২০২৪ সালে দলটির জন্য নতুন সমীকরণ নিয়ে এসেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার পর দলের অনেক নেতা সাংগঠনিক কার্যক্রমের চেয়ে মন্ত্রিসভা, সংসদ ও প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এর ফলে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠন স্থবির হয়ে পড়েছে।

এছাড়া ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার, পদ-পদবি ও স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে দলের ভেতরে কোন্দল ও সংঘাতের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আগের মতো নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি কমেছে বলে অনেকে মনে করছেন, যদিও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দায়িত্ব পাওয়ার পর পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে। দলের সিনিয়র নেতারা এই সংকট স্বীকার করতে না চাইলেও, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মানবজমিনকে জানিয়েছেন, বিএনপি’র সাংগঠনিক অবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। তার ভাষ্যমতে, সরকার গঠনমূলক কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি আরও বৃদ্ধি পাবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পরবর্তী নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেন তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এরপর ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর রমনা রেস্তরাঁয় জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০শে মে শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় ছিলেন। ১৯৮৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি দলের হাল ধরেন বেগম খালেদা জিয়া।

পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বে দলটি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত ৩০শে ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এখন দলের হাল ধরেছেন তারেক রহমান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই দলীয় পতাকা উত্তোলন, সমাধি জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মতো কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে জানিয়েছেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই বিএনপি’র লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপি দেশমাতৃকার সেবায় কাজ করে যাবে। ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর গণতন্ত্র রুদ্ধ হয়েছিল, যা থেকে উত্তরণে জিয়াউর রহমান ভূমিকা রেখেছিলেন। আগামী শনিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পৃষ্ঠা ৫ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা

সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা

এছাড়া এসব ঋণের বিপরীতে সরকারের দেওয়া গ্যারান্টির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে, যার ফলে প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে ব্যাংকটি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাংকটি এখন সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান গত ১৯ আগস্ট অর্থ বিভাগের সচিবকে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, অনাদায়ী ঋণের বিপরীতে ব্যাংককে এখন উচ্চ হারে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

এটি ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতিকে বড় আকারে বাড়িয়ে তুলবে এবং ব্যাংকের সামগ্রিক মুনাফার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই চাপ কমাতে ব্যাংকটি বকেয়া ঋণের বিপরীতে সরকারি বন্ড ইস্যু অথবা নতুন করে রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) এবং এর অধীন ৯টি চিনিকলকে সোনালী ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে মোট ৩,১০৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল। এর মধ্যে বিএসএফআইসির অনুকূলে বিতরণ করা ঋণের বিপরীতেই ব্যাংকের পাওনা ২,৭৬২ কোটি টাকা।

দীর্ঘ সময় ঋণ পরিশোধ না হওয়ায় এর সঙ্গে সুদ ও অন্যান্য চার্জ যুক্ত হয়ে মোট পাওনা দাঁড়িয়েছে ৭,১৯২ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ২৫৩ কোটি টাকা পরিশোধের পর বর্তমানে নিট বকেয়া রয়েছে ৬,৯৩৮ কোটি টাকা। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিএসএফআইসির ঋণের বিপরীতে ১,০০০ কোটি টাকার যে সরকারি গ্যারান্টি ছিল, তার মেয়াদ গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে। আগে মোট ৬টি সরকারি গ্যারান্টির মেয়াদ বাড়ানো হলেও বর্তমানে সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় এসব ঋণ এতদিন অশ্রেণিকৃত থাকলেও সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রান্তিকে তা খেলাপি হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সোনালী ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করছে। ২০২৫ সালের মার্চে সুদ মওকুফ করে অবশিষ্ট অর্থের বিপরীতে বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ও ২৬ এপ্রিল এবং সবশেষ ১৯ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি দিয়ে সরকারি গ্যারান্টি বা বকেয়া অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের নিজস্ব দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায়ও এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বিএসএফআইসির অধীনে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল থাকলেও ২০২০ সালে সরকার ৬টি বন্ধ করে দেয়। চালু থাকা ৯টি চিনিকলের মধ্যে অধিকাংশ লোকসানে রয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তাদের দাবি, চিনিকলগুলোর উৎপাদন মূল্য ও সরকার নির্ধারিত মূল্যের পার্থক্যের কারণে ট্রেড গ্যাপ তৈরি হচ্ছে।

ভর্তুকি ও ট্রেড গ্যাপ বাবদ ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের কাছে বিএসএফআইসির পাওনা ৮,০৪১ কোটি টাকা। তবে বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান সুরুজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
শিক্ষায় জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষায় জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য: শিক্ষামন্ত্রী

মঙ্গলবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, দেশের মেধাবী জনশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রীদের পড়াশোনায় অনুপ্রাণিত করতে সাইকেল বিতরণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে চারটি বিআইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই সেই সময় এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া বিভিন্ন জটিলতায় আটকে আছে। এই সমস্যা দ্রুত নিরসনের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন বিভাগ খোলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট বা আর্কিটেকচারের সাথে আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগ চালুর আগে প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা জরুরি।

লেদার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো কারিগরি বিভাগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ল্যাব সুবিধা ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বিবেচনায় নিতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক যানবাহনের যুগে মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে ইভি-সংশ্লিষ্ট কোর্স চালু করা সময়ের দাবি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্সের মতো আধুনিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এআই কোর্স চালুর আবেদন ইউজিসিতে দুই বছর ধরে আটকে থাকায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষার্থীর পেছনে সরকারের ব্যয় প্রায় ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তাই অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি এই বিনিয়োগের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে কোথায় অবস্থান করছেন, তার তথ্য সংরক্ষণের জন্য অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
নতুন কিস্তি নিয়ে ফিরছে মোশাররফ করিমের ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’

নতুন কিস্তি নিয়ে ফিরছে মোশাররফ করিমের ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’

প্রথম সিজনে মোশাররফ করিমের অনবদ্য অভিনয় ও গল্পের ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছিল। এবার সেই গল্পের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন নির্মাতারা। সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তি পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী এবং তার স্ত্রী মুশফিকা মাসুদ। বিষয়টি অমিতাভ রেজা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

প্রথম সিজনে ট্রাকচালক আব্বাসের চরিত্রে মোশাররফ করিমের অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি তার গোপন আট সংসার সামলানোর হাস্যরস ও জটিলতা ফুটে উঠেছিল। অমিতাভ রেজার পরিচালনায় সিরিজটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে মুক্তি পেয়েছিল। নতুন সিজনের গল্পে আব্বাসের জীবনের আগের সংসারগুলোর বর্তমান অবস্থা কিংবা নতুন কোনো মোড় আসছে কি না, তা এখনই প্রকাশ করতে চাইছেন না নির্মাতা। তবে অমিতাভ রেজা জানিয়েছেন, নতুন কিস্তিতে প্রথম সিরিজের কয়েকজন অভিনয়শিল্পীকে দেখা যাবে।

সেই সাথে গল্পের প্রয়োজনে যুক্ত হতে পারেন নতুন মুখ। বর্তমানে শিল্পীদের শিডিউলসহ প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পরিচালনার ক্ষেত্রে স্ত্রী মুশফিকা মাসুদের সাথে কাজ করা প্রসঙ্গে অমিতাভ রেজা বলেন, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতাকে তারা এবার সিরিজের কাজে লাগাতে চান।

তিনি জানান, দুটি ভিন্ন মনন ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নতুন ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায়, যা চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করে। এছাড়া আগামী বছর তাদের যৌথভাবে দুটি সিনেমা নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’র প্রথম সিজনে মোশাররফ করিমের সাথে অভিনয় করেছিলেন রোবেনা রেজা জুঁই, রুনা খান, তানজিকা আমিন, মৌসুমী হামিদ, সাদিয়া আয়মান, ফারহানা হামিদ, আসমা উল হুসনা ও সারাহ জেবিন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ডাকসুর জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম ঘোষণা

ডাকসুর জিএস হিসেবে রাশেদ খাঁনের নাম ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাশেদ খাঁন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে জানিয়েছে, ২০১৯ সালে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর এমফিল প্রোগ্রামের ছাত্রত্ব অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এবং সিন্ডিকেটের শোকজ নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়। ফলে তার ডাকসু পদটিও অবৈধ হয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রাশেদ খাঁনকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫) ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিল প্রোগ্রামের ছাত্রত্ব বাতিল ও ডাকসুর জিএস পদ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয়ী হয়েছিলেন নুরুল হক নুর, যিনি ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়েছিলেন। তৎকালীন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ৯ হাজার ১২৯ ভোট পেয়েছিলেন। জিএস পদে গোলাম রাব্বানী ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষিত হয়েছিলেন, যেখানে রাশেদ খাঁন ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। বর্তমানে ভিপি নুরুল হক নুর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

পৃষ্ঠা ৯corruptionwatchbangladesh
মূল পৃষ্ঠা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১২ এর সংবাদ এর বাকি অংশ
পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ডেমরায় বিএনপি নেতার বাসায় ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে গুলি

ডেমরায় বিএনপি নেতার বাসায় ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে গুলি

১৯৯১ ও ২০০১ সালে দলটি সরকার গঠন করে, তবে ১৯৯৬ সালে একতরফা বিতর্কিত নির্বাচন করে দলটি। গত শুক্রবার ভোররাতে সংঘটিত এই ঘটনায় এক ছাত্রদল নেতাসহ মোট আটজন জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু প্রায় হাজার ছুঁই ছুঁই

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু প্রায় হাজার ছুঁই ছুঁই

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৯৭৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৮০ জন এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৯ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭২ শিশু এবং হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ১৫৯ শিশুর শরীরে।

সব মিলিয়ে গত এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩১ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৮৪ জন। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫০ শিশু। আক্রান্তদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৮ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু

দেশের স্কুল, আলিয়া ও কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। নিবন্ধন কার্যক্রম ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। আগ্রহীরা এই সময়ের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নিবন্ধন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য সাদা কাগজে লিখিত আবেদনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জন্মসনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে প্রতিযোগীর নাম, পিতা-মাতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ও মোবাইল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ তিনটি বিষয়ে অংশ নিতে পারবেন। প্রতিযোগিতাটি তিনটি গ্রুপে সাতটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়গুলো হলো—কিরাআত, আজান, হামদ-নাত, কবিতা আবৃত্তি, ইসলামী জ্ঞান, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা।

‘ক’ গ্রুপে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত, ‘খ’ গ্রুপে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্ররা এবং ‘গ’ গ্রুপে একই শ্রেণির ছাত্রীরা অংশ নিতে পারবে। প্রতিযোগিতাটি উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের পাঁচ শত উপজেলা ও আট মহানগরীর ১৫টি জোন অফিসে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২০২৭ সালের ১ থেকে ৩১ জানুয়ারি এবং জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ২০২৭ সালের ১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যপদকসহ আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তিনজন চার আনা ওজনের স্বর্ণপদক পাবেন। এছাড়াও প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে সাড়ে তিন ভরি, তিন ভরি ও সাড়ে আড়াই ভরি ওজনের স্বর্ণপদক ২০ জন করে মোট ৬০ জনকে দেওয়া হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায় ছাড়া অন্য কোনো পর্যায়ে যাতায়াত ভাতা দেওয়া হবে না এবং নির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

র‍্যালিটি শিবগঞ্জ মডেল স্কুল থেকে শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামী ব্যাংকের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। পথসভায় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রকে বিকশিত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ৪৮ বছর ধরে বিএনপি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নয়ন রাজনীতির পথ অনুসরণ করে দেশের মানুষকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে দেশকে মুক্ত করতে বিএনপি সক্ষম হয়েছে। র‍্যালিতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল হক, সদস্য সচিব তৌসিকুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার জাহান সেন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, সদস্যসচিব আলমগীর কবির জুয়েল, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহম্মেদ বাবু, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল হক হায়দারী (শহিদ মিয়া) সহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
লালমোহনে ২২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করল কোস্ট গার্ড

লালমোহনে ২২ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করল কোস্ট গার্ড

সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লালমোহন থানার পৌরসভা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট লালমোহন ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পাঁচটি গোডাউন তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার করা হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতির খবর পেয়ে গোডাউনের মালিকরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জব্দকৃত নিষিদ্ধ পলিথিনগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিবেশ রক্ষা এবং নিষিদ্ধ পলিথিনের অবৈধ মজুত ও ব্যবহার রোধে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ঝিনাইদহে পারিবারিক কলহে চাচাতো ভাইয়ের কোপে কৃষকের পা বিচ্ছিন্ন

ঝিনাইদহে পারিবারিক কলহে চাচাতো ভাইয়ের কোপে কৃষকের পা বিচ্ছিন্ন

ভুক্তভোগী আবু মুসা ওই গ্রামের আবু কাশেম মোল্লার ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকালে মাঠের কাজ শেষে আবু মুসা বাড়িতে ফিরছিলেন। তিনি নিজের ছেলেকে খেলার মাঠ থেকে আনতে যাওয়ার পথে তার চাচাতো ভাই মামুন মোল্লা ধারালো রামদা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত মামুন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহত আবু মুসাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতের স্ত্রী বিউটি খাতুন জানান, অভিযুক্ত মামুন সম্পর্কে তার স্বামীর চাচাতো ভাই। মামুন প্রায়ই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তার স্ত্রীকে মারধর করত এবং পারিবারিক বাকবিতণ্ডায় জড়াত।

এসব কর্মকাণ্ডে তার স্বামী আবু মুসা ও পরিবারের অন্যরা বাধা দেওয়ায় মামুনের সঙ্গে তাদের বিরোধ তৈরি হয়। এই ক্ষোভ থেকেই সে এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারিহা তাহসিন জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ভুক্তভোগীর ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং বাম পায়েও গুরুতর জখম রয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদউজ্জামান জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত মামুন মোল্লা মাদকাসক্ত এবং এর আগেও বাজারের একটি দোকানে চুরির মামলায় সে গ্রেপ্তার হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই মামুন পলাতক রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের ওপর আরও কঠোর হামলার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে একটি পোস্ট দিয়েছেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি ইরানকে ‘মৃত’ ও ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন, দেশটিতে এখন আর কোনো সশস্ত্র বাহিনী অবশিষ্ট নেই। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরানের কোনো নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী বা নিজস্ব মুদ্রাও নেই। এছাড়া মুদ্রাস্ফীতি ৩০০ শতাংশে পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশটির নেতারা সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বেতন দিতে পারছেন না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, ইরান সরকার এখন পর্যন্ত এক লাখ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে এবং কেবল বিক্ষোভ দমন করেই তারা টিকে থাকার চেষ্টা করছে। ইরানের নেতারা বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছেন এবং তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সক্ষমতা হারিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। গত জুলাইয়ের পর গত রোববার রাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও হামলা ও পালটা হামলার ঘটনা ঘটে। যদিও এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল যে, তারা অস্ত্রের যুদ্ধের পরিবর্তে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।

তবে নতুন এই হামলা প্রমাণ করেছে যে, কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি না থাকলে যে কোনো সময় লড়াই নতুন করে শুরু হতে পারে।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ

আনন্দবাজার পত্রিকা ভবনে গেরুয়া রং লেপে বিক্ষোভ

এই মাটিতে গেরুয়া রং বা বিষয় নিয়ে কোনো কুমন্তব্য করার প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। তবে এই বিক্ষোভকারীরা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আনন্দবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পেছনে আনন্দবাজার পত্রিকায় গত ২১ আগস্ট প্রকাশিত একটি শিরোনামের প্রভাব থাকতে পারে।

গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির মিছিল থেকে উত্তেজনা সৃষ্টির পরের দিন পত্রিকাটি ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছিল। এই শিরোনামের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ২৮ আগস্ট অন্য একটি অনুষ্ঠানে আনন্দবাজার পত্রিকাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘গেরুয়া তাণ্ডব’ শিরোনাম প্রত্যাহার করতে হবে এবং গেরুয়া শব্দকে কালিমালিপ্ত হতে দেওয়া হবে না। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে নানা আপত্তিকর পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।

এছাড়া হিন্দু জাগরণ মঞ্চ নামে একটি সংগঠন পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে বউবাজার থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেছিল।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মেধা ও নৈতিকতায় দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার আহ্বান ছাত্রশিবিরের

মেধা ও নৈতিকতায় দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার আহ্বান ছাত্রশিবিরের

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ বিভাগের উদ্যোগে চলতি বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের জনশক্তিদের নিয়ে ১০ দিনব্যাপী 'প্রি-কলেজ স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং ক্যাম্প (পিসিএসডি) ২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত গাজীপুরের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই ক্যাম্পটি পরিচালনা করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘সততা ও দূরদর্শিতায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা’। শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কলেজ জীবনে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক, ভাষাগত ও প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে এই নিবিড় ক্যাম্পে প্রতিদিন ইংরেজি ও কম্পিউটারের ওপর ৪০টি ক্লাস নেওয়া হয়েছে।

একাডেমিক ক্লাসের পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, বিষয়ভিত্তিক স্টাডি সেশন, মোটিভেশনাল ক্লাস এবং ইনোভেটিভ গেমসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পের সমাপনী ও বিভিন্ন সেশনে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি আত্মশুদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত ও একাডেমিক দক্ষতার পাশাপাশি আত্মিক পবিত্রতা ও স্রষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা অপরিহার্য। একজন আদর্শ ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের মধ্যে সঠিক চরিত্র এবং দিকনির্দেশনার সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, জিপিএ-৫ অর্জন জীবনের একটি গৌরবময় মাইলফলক হলেও এটিই চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয় ঘটিয়ে ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এছাড়া সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব।

পৃষ্ঠা ৫ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
কাজের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

কাজের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির প্রধান হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন, একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই তাদের মূল দায়িত্ব এবং এর মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেওয়া হবে। সোমবার রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ডিএসই টাওয়ারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক উন্মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএসইসির কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান, নাহিদ মাহতাব, মো. নাফিজ আল তারিক ও হোসাইন সাদাতসহ ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, দায়িত্ব নেওয়ার দ্বিতীয় দিনেই তিনি ফ্লোর প্রাইস তুলে দিয়েছেন।

এর আগে ফ্লোর প্রাইসের কারণে মরগ্যান স্ট্যানলি ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল (এমএসসিআই) বাংলাদেশের সূচক স্থগিত করেছিল। তবে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ায় আগামী নভেম্বর থেকে তারা এটি পুনরায় চালু করবে বলে জানিয়েছে, যা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মাসুদ খান বলেন, বিএসইসি ও ডিএসইর সার্ভিল্যান্স ব্যবস্থা এআইভিত্তিক করা হচ্ছে। এছাড়া পুঁজিবাজারের মূল বোর্ডে বন্ডের তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং আগামী এক বছরে অনেক বন্ড বাজারে আসবে।

ডাইরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং কমিশনের অনুমোদনের পর তা জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে কয়েকটি ভালো কোম্পানি বাজারে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, কোনো কোম্পানি চাইলে আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে শেয়ার ছাড়তে পারবে, যার সিদ্ধান্ত এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে। সিকিউরিটিজ অ্যাক্টের ২০এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থে কোম্পানিকে বাজারে আসার নির্দেশ দেওয়ার জন্য ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট কোম্পানি’ নির্ধারণে বিধি প্রণয়ন করা হবে।

এছাড়া স্ক্রিপ্ট নেটিং ও টি+১ চালুর বিষয়ে ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল এবং বিদেশি কাস্টডিয়ান ব্যাংকগুলোর সঙ্গে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যাতে বছরের শেষ নাগাদ টি+১ এ যাওয়া সম্ভব হয়। চট্টগ্রাম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে বলে তিনি জানান। ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম জানান, নতুন কোম্পানি ও বন্ড তালিকাভুক্তির বাধা দূর করতে লিস্টিং ফি ৮০ শতাংশ কমিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে আবেদনকারী কোম্পানিগুলো এই ফি-র ওপর অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ ছাড় পাবে।

ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার জানান, বাজারের উন্নয়ন ও গভর্নেন্স জোরদারে বিএসইসির নির্দেশনায় ভালো আইপিও আনা, ফ্রি মার্জিন ও সিসি অ্যাকাউন্ট পরিচালনাসহ ৫ বছরের স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ চলছে।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন সংগীতশিল্পী বাদশা

বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন সংগীতশিল্পী বাদশা

যদিও ঈশা আগেই তাদের সম্পর্ক এবং বিয়ের কথা নিশ্চিত করেছিলেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে বাদশা জানান, তারা দু’জনে পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে অনুরাগী এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাদশা লেখেন, “পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই সময়ে সকলের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ করছি।” এই প্রথম তাদের দাম্পত্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন বাদশা। এর আগে জুলাই মাসে ঈশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। তার সেই পোস্টের পরেও ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে। ঈশা জানিয়েছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন ভয় এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন।

তার স্বামীর ‘প্রভাব এবং ক্ষমতা’র কারণেই তিনি এমন পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন বলে ইঙ্গিত করেছিলেন অভিনেত্রী। নীরব থাকা যে পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়ার লক্ষণ নয়, বরং টিকে থাকার একটি উপায় ছিল— সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন ঈশা। পাশাপাশি, সব কিছু ঠিকঠাক রয়েছে এমন ভান না করে নিজের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানানোর জন্য তিনি প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত করেছিলেন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ঢাবি আইবিএতে পোশাক ব্যবসায় বিনা মূল্যে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা

ঢাবি আইবিএতে পোশাক ব্যবসায় বিনা মূল্যে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা

প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৯ মাস মেয়াদি ‘পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন গার্মেন্ট বিজনেস’ (পিজিডি-জিবি) প্রোগ্রামে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই কোর্সে সফলভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কোনো টিউশন ফি দিতে হবে না, উল্টো আর্থিক ভাতা প্রদান করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় পরিচালিত এই প্রোগ্রামটি মূলত তিনটি মডিউলে বিন্যস্ত।

প্রথম মডিউলে শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মৌলিক বিষয়াবলি শেখানো হবে। দ্বিতীয় মডিউলে থাকবে শিল্প ও বাণিজ্য-সম্পর্কিত বিভিন্ন তাত্ত্বিক বিষয়। আর শেষ বা তৃতীয় মডিউলে গুরুত্ব দেওয়া হবে পোশাক শিল্পসংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের ওপর। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্মজীবী ও নবীন উভয় ধরনের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ক্লাসের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। চাকরিজীবী বা অভিজ্ঞ শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে শুক্র ও শনিবার অথবা সপ্তাহের অন্যান্য দিন সন্ধ্যার পর। অন্যদিকে, নবীন বা ফ্রেশার শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হবে সপ্তাহের কর্মদিবসের সন্ধ্যায় এবং প্রয়োজনে সপ্তাহের ছুটির দিনে যেকোনো সময়ে। এই ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

সিজিপিএ পদ্ধতির ক্ষেত্রে ৪.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ২.৫০ এবং সনাতন পদ্ধতির ক্ষেত্রে সমমানের ক্লাস বা ডিভিশন থাকতে হবে। মাধ্যমিক (এসএসসি) ও উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০-এর মধ্যে কমপক্ষে ২.৫ অথবা সনাতন পদ্ধতিতে এর সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে। অভিজ্ঞ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক খাতে কমপক্ষে তিন বছর কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। তবে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই ফ্রেশার হিসেবেও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

আবেদনের জন্য প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৪৮ বছর হতে পারবে। তবে যারা আগে কখনো এসইআইপি (SEIP) প্রকল্পের আওতায় কোনো প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন বা তালিকাভুক্ত ছিলেন, তারা এই কোর্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারীদের আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার একটি লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

এই লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম কোয়ালিফায়িং নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে।

পৃষ্ঠা ১২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
আদিবাসী পরিচয়ের সংকট ও উত্তরণের বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড

আদিবাসী পরিচয়ের সংকট ও উত্তরণের বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড

ILO-এর মতে, একটি জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ই হলো তাদের আদিবাসী হিসেবে সনাক্ত করার মৌলিক মানদণ্ড। বাইরের কারো নির্ধারণ করা পরিচয়ের চেয়ে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিজস্ব আত্মপরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া আধুনিক নীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গবেষণার সুবিধার্থে বিশ্বব্যাংকের OP 4.10 নীতিমালা ব্যবহার করে চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করা যেতে পারে: নিজস্ব সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়, পূর্বপুরুষের ভূখণ্ডের সঙ্গে সমষ্টিগত সম্পর্ক, সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজ থেকে ভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বতন্ত্র ভাষা। তবে সব বৈশিষ্ট্য সমান মাত্রায় উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

জোরপূর্বক উচ্ছেদ বা ভূমিচ্যুতির কারণে কোনো গোষ্ঠী ঐতিহাসিক ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও তাদের আদিবাসী পরিচয় মুছে যায় না। একইভাবে, ভাষা হারিয়েছে বা আদি নিবাসে নেই বলে কাউকে আদিবাসী নয় বলে ঘোষণা করা আধুনিক নৃবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক। বাংলাদেশে সমস্যাটি আরও জটিল কারণ আমাদের রাষ্ট্রীয় পরিভাষা এবং আন্তর্জাতিক অধিকারভিত্তিক ধারণা এক নয়। সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিসরে আদিবাসী ধারণাটি ভূমি, আত্মপরিচয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারের সঙ্গে যুক্ত।

এছাড়া, কোনো জনগোষ্ঠীর আন্তঃঅভিবাসন বা বসতি পরিবর্তন তাদের ঐতিহাসিক পরিচয়কে বিলুপ্ত করে না। গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহীতে স্থানান্তরিত হওয়া নাগরিক যদি বহিরাগত না হন, তবে অন্য জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বর্তমান বসতি দেখে তাদের ইতিহাস অস্বীকার করা বৈজ্ঞানিক হতে পারে না। রঞ্জনা বিশ্বাস মনে করেন, আদিবাসী বিতর্কে না জড়িয়ে আমাদের প্রয়োজন একটি ‘বৈজ্ঞানিক আদিবাসী সনাক্তকরণ কাঠামো’ তৈরি করা। এই কাঠামোতে নৃতত্ত্ব, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস, ভাষাবিজ্ঞান এবং আইনের সমন্বয় থাকতে হবে।

কাজেই আমার মনে হয় বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি বৈজ্ঞানিক Indigenous Identification Framework তৈরি করা প্রয়োজন। কোনো জনগোষ্ঠীকে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে রাষ্ট্রের বহুত্ববাদী চরিত্র ও আধুনিকতা বরং সমৃদ্ধ হয়। শেষপর্যন্ত, নিজেদের পরিচয় নির্ধারণের অধিকার সেই জনগোষ্ঠীরই থাকা উচিত।

পৃষ্ঠা ১০corruptionwatchbangladesh
মূল পৃষ্ঠা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১২ এর সংবাদ এর বাকি অংশ
পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩২৪

ডেঙ্গু পরিস্থিতি: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩২৪

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ১৭০ জনে। এদের মধ্যে ৩৪ হাজার ৩৮৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৬৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ জনে। এর মধ্যে আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৪৩ জন। এছাড়া জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩ এবং জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরের এখন পর্যন্ত মারা গেছে আরও ৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৪২ জন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ভর্তি হয়েছেন ২৯৮ জন। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ১২১, চট্টগ্রামে ১৩৯, খুলনায় ২৪৬, ময়মনসিংহে ৮৭, রাজশাহীতে ১১৪, রংপুরে ৩৪ এবং সিলেটে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে যা বললেন হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে যা বললেন হুমায়ুন কবির

তবে এখন পর্যন্ত সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কোনো তারিখ নির্ধারিত না থাকা মানেই আলোচনার প্রক্রিয়া থমকে যাওয়া নয়। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এবং উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে সফরের তারিখ ঠিক করা হবে।

তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের মতো ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছিল, যা সরকার স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে এবং বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। দিল্লিতে গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হুমায়ুন কবির একে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেন। ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় না দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সেই আশাও ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা নিয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, কোনো চাপের মুখে নয় বরং এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিমানের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদে উড়োজাহাজ কেনা প্রয়োজন, অন্যথায় নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে না এবং ব্যবসা হারানোর ঝুঁকি থাকবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের চাহিদা রয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রেখে সরকার এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হওয়ায় তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।

প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগতভাবে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এখন আবারও আমাদের আলোচনা চলছে।’.যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ.পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হবে না। এভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রীসংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘ মেয়াদে এয়ারক্রাফট কিনতেই হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।.৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকায় বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি.উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, নাকি প্রাথমিক আলোচনা– এ প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমত, ওয়াশিংটনের সঙ্গে অত্য

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যায় মিলল নতুন তথ্য

৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যায় মিলল নতুন তথ্য

সম্প্রতি দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল এভিডেন্স বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ষড়যন্ত্রের সূত্র খোঁজা হচ্ছে। এছাড়া মেজর জেনারেল মঞ্জুরের মৃত্যু এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে অনুসন্ধান চলছে। গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সময় মোজাফফর উপস্থিত ছিলেন এবং ঘটনার পর নথিপত্র তল্লাশি ও লাশ সরানোর কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তদন্তের দায়িত্বে থাকা বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানান, জিয়াউর রহমানের মৃত্যু নিয়ে এখনো অনেক রহস্য রয়েছে এবং মোজাফফর এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তদন্তকারীরা মোজাফফরের সঙ্গে দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের যোগাযোগের সূত্র পেয়েছেন। তিনি কীভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, কার পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন এবং ব্যাংকিং লেনদেনের উৎস কী—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে পুলিশ হেফাজত থেকে কেন এবং কার নির্দেশে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

এছাড়া প্রেসিডেন্টের পক্ষে থাকা একটি কথিত ‘সিক্রেট পেপার’ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের আগ্রহের কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৎকালীন সময়ে এই পেপারটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা উন্মোচনের চেষ্টা চলছে। প্রসিকিউটর আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে লেফটেন্যান্ট মোসলেহ উদ্দিন, মেজর ফজলুল হক, ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মো. মুনির এবং ক্যাপ্টেন মো. ইলিয়াসের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
কৃষির উন্নয়নই দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি: কৃষিমন্ত্রী

কৃষির উন্নয়নই দেশের অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি: কৃষিমন্ত্রী

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষকের উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত। আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। কৃষিপণ্যই হবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য—এটাই সরকারের প্রতিজ্ঞা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

দেশের কল্যাণে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন। মৃত্যুর পর তাঁর ভাঙা সুটকেস ও ব্যাংক হিসাবে সাড়ে ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। আমরা সেই জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি। বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীকে তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যে নেতার রাজনীতি করেন, তার চরিত্রের সঙ্গে নিজের চরিত্র কতটুকু মেলে, তা প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে খেয়াল রাখতে হবে। মুখের কথা, অন্তরের কথা ও মাথার চিন্তা যেন এক হয়। তাহলেই দেশ সুন্দর হবে, সরকার প্রশংসিত হবে এবং জনগণ বারবার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে। মন্ত্রী বলেন, আগামী প্রজন্ম অনেক সচেতন।

তারা নেতাদের কথা ও কাজের বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায়। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিবসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভা পরিচালনা করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে সদর উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভা

ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে সদর উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভা

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল হামিদ। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঠাকুরগাঁও সদরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আল আমিনসহ সদর উপজেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় রাষ্ট্রপতির আগমনকে সফল ও স্বার্থক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতিকে যথাযথ মর্যাদায় বরণ করে নেওয়ার জন্য দলের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
শাহজালাল বিমানবন্দরে পিকআপ দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত

শাহজালাল বিমানবন্দরে পিকআপ দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত

নিহতরা হলেন ওয়ারেন্ট অফিসার মাহমুদ, কর্পোরাল পিয়াস এবং এলএসি জুবাইদুল। এই ঘটনায় আরও চারজন সদস্য আহত হয়েছেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক সাংবাদিকদের দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুর্ঘটনাজনিত কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। জানা গেছে, সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটের দিকে থার্ড টার্মিনালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ফ্লাইওভার দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানবাহিনীর একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর আহত ও নিহতদের পরবর্তী কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
যুক্তরাষ্ট্রে কাজ হারানোর ঝুঁকিতে ভারতীয়রা, এইচ-৪ visa নীতিতে কড়াকড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ হারানোর ঝুঁকিতে ভারতীয়রা, এইচ-৪ visa নীতিতে কড়াকড়ি

প্রস্তাবটি কার্যকর হলে নির্দিষ্ট এইচ-৪ ভিসাধারী স্বামী বা স্ত্রীরা আর কাজের অনুমতির (ইএডি) জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভারতীয় পরিবারগুলো সবচেয়ে বড় সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নয় এবং এটি কার্যকর হতে হলে আরও কয়েকটি আইনি ধাপ পার হতে হবে। প্রথমত, ডিএইচএস-কে ফেডারেল রেজিস্টারে ‘নোটিশ অব প্রপোজড রুলমেকিং’ প্রকাশ করতে হবে এবং এরপর সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

সব প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত নিয়ম জারি করা হবে। এই আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বৈধ ইএডি থাকা যোগ্য এইচ-৪ ভিসাধারীরা বর্তমান নিয়মে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত এইচ-১বি আবেদনের প্রায় ৭১ শতাংশই ছিল ভারতীয় নাগরিকদের। এছাড়া, ২০১৭ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত অনুমোদিত এইচ-৪ ইএডি-ধারীদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই ছিলেন ভারতীয় নাগরিক, যাদের ৯৪ শতাংশই নারী।

ফলে এই নিয়ম বাতিল হলে ভারতীয় নারীরাই সবচেয়ে বেশি কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন। ডিএইচএসের দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রক কার্যসূচির অংশ হিসেবে প্রস্তাবটি দেশটির নিয়ন্ত্রক কার্যক্রমের সরকারি ওয়েবসাইট Reginfo.gov-এ অফিস অব ইনফরমেশন অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রস্তাবটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘Removing H-4 Dependent Spouses From the Classes of Noncitizens Eligible for Employment Authorisation’, যার সহজ অর্থ ‘কর্মসংস্থানের অনুমতি পাওয়ার যোগ্য অ-নাগরিকদের শ্রেণি থেকে এইচ-৪ নির্ভরশীল স্বামী-স্ত্রীকে বাদ দেওয়া’। এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের চালু করা নিয়মটি বাতিল করে আগের নীতিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে এইচ-৪ ভিসাধারীরা ইএডির জন্য আবেদন করতে পারেন। এর মধ্যে এইচ-১বি ভিসাধারী স্বামী বা স্ত্রীদের অনুমোদিত ফরম আই-১৪০ থাকা অন্যতম শর্ত। এছাড়া নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এইচ-১বি ভিসার ছয় বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়ানো হলে ইএডির জন্য আবেদন করা যায়। ইএডি ছাড়া এইচ-৪ ভিসাধারীরা চাকরি করতে না পারলেও তারা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ পান।

এইচ-৪ ইএডি ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা এবারই প্রথম নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালেও এই কর্মসংস্থানের অনুমতি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা পরে ২০২১ সালে প্রত্যাহার করা হয়। এবারের নতুন প্রস্তাবটি মূলত সেই আগের কঠোর নীতি ফিরিয়ে আনারই চেষ্টা। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি কর্মীদের জন্য আরও কিছু কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব করেছে।

এর মধ্যে নতুন এইচ-১বি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার ফি আরোপ এবং চাকরি হারানোর পর নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজে নেওয়ার জন্য বর্তমানে পাওয়া ৬০ দিনের সময়সীমা বাতিলের উদ্যোগও রয়েছে।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ

জনগণের আস্থা ধরে রাখাই বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ: রুহুল কবির রিজভী

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশ ও কঠোর আন্দোলন-সংগ্রামের পর বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। বর্তমানে দল ও সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের আস্থা ও জনপ্রিয়তা ধরে রাখা। এই লক্ষ্য অর্জনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। রিজভী বলেন, ৪৮ বছর আগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্র নিশ্চিতকরণ এবং দেশের উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্যে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

শিক্ষা, সংস্কৃতি, বৈদেশিক নীতি ও আইনশৃঙ্খলাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আজ যারা সংবাদপত্রে দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করছেন, এর পেছনে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

এরশাদবিরোধী স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে রিজভী বলেন, তৎকালীন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া নয় বছর আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। তিনি কোনো চাপের কাছে মাথা নত করেননি, বরং জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, নানা চক্রান্ত ও নির্যাতনের মুখেও খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে টিকে ছিলেন এবং ফ্যাসিবাদের পতনে মূল প্রেরণা জুগিয়েছেন। তাঁর রেখে যাওয়া সাহস ও আদর্শ বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সাল থেকে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, পরবর্তীতে তা জুলাই বিপ্লবের প্রবল তরঙ্গে রূপ নেয়। রাজপথে জনতার শক্তির বিস্ফোরণ ঘটে এবং ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন হয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, তারেক রহমান জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন। বর্তমানে সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছে এবং দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। দল ও সরকারের কাজের সমন্বয় প্রসঙ্গে রিজভী স্পষ্ট করেন যে, দল ও সরকার আলাদা প্রতিষ্ঠান হলেও তাদের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন। পরিশেষে তিনি বলেন, ৩১ দফা, নির্বাচনি ইশতেহার এবং বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’ বাস্তবায়নই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য।

পৃষ্ঠা ৫ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
খেলাপি ঋণ আদায়ে নতুন আইন ও সংশোধনের তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের

খেলাপি ঋণ আদায়ে নতুন আইন ও সংশোধনের তাগিদ বাংলাদেশ ব্যাংকের

চিঠিতে তিনি ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়ন এবং ‘অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩’ সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদে দ্রুত প্রস্তাব উত্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন। গভর্নর চিঠিতে উল্লেখ করেন যে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে আর্থিক স্থিতিশীলতার পথে বড় বাধা হিসেবে খেলাপি ঋণ ও দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের উচ্চ হারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে দেশের ব্যাংক খাতে দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ।

খেলাপি ঋণ আদায়ের গতি বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩’-এ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে হাইকোর্টের মর্যাদাসম্পন্ন আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন, নিলামে তোলা সম্পদের সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ, আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য পৃথক রিকভারি অফিসার নিয়োগ, মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা হ্রাস এবং আপিল করার ক্ষেত্রে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, এসব আইনি সংশোধন বাস্তবায়িত হলে ঋণসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে, ব্যাংকের ব্যালান্সশিট থেকে খেলাপি ঋণ আলাদা করে ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই আইনের আওতায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (ডিএএমসি) গঠিত হবে, যারা ব্যাংক থেকে দুর্দশাগ্রস্ত ঋণ কিনে নিয়ে ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালনা করবে। কোম্পানিগুলোকে জামানত বাস্তবায়ন, ঋণ পুনর্গঠন এবং প্রয়োজনে খেলাপি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৬০ দিনের নোটিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। এই পুরো কাঠামো তদারকির জন্য ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ইউনিট’ (ডিএএমইউ) গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

গভর্নর জানিয়েছেন, আইন দুটির খসড়া ইতোমধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এখন দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তা সংসদে উত্থাপনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের স্মৃতিতে বন্ধু অ্যালেন গিন্সবার্গ

লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের স্মৃতিতে বন্ধু অ্যালেন গিন্সবার্গ

গিন্সবার্গের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ক্রাসনাহোরকাই জানান, কবির জীবন ছিল খুবই সাধারণ। একটি ছোট বাড়ি, রান্নাঘর এবং অদ্ভুত সবুজ রঙের আলমারি—সব মিলিয়ে এক সাদামাটা পরিবেশ। তবে কবির হৃদয়ের জায়গা ছিল অনেক বড়। তার দরজা সব সময় সবার জন্য খোলা থাকত।

সেখানে বিট প্রজন্মের কবি-শিল্পীসহ নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক জগতের মানুষের নিয়মিত আনাগোনা ছিল। উপন্যাস ‘ওয়ার এন্ড ওয়ার’ লেখার সময় ক্রাসনাহোরকাই যখন নিউইয়র্কের ব্যস্ত ও রঙিন পরিবেশে চরিত্রটিকে নিরপেক্ষভাবে ফুটিয়ে তুলতে হিমশিম খাচ্ছিলেন, তখন গিন্সবার্গ তাকে বিশেষ পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পুরো পটভূমির দিকে না তাকিয়ে একটি ছোট জায়গা বা নির্দিষ্ট বিষয়ের দিকে মনোযোগ দিতে। এই পরামর্শ লেখকের জন্য ছিল অত্যন্ত কার্যকর।

সাহিত্যচর্চা ছাড়াও ব্যক্তিগত আবেগ নিয়ন্ত্রণ বা অনুভূতিকে লেখায় রূপ দেওয়ার মতো নানা বিষয়ে তাদের দীর্ঘ আলোচনা হতো। গিন্সবার্গ কেবল উত্তরই দিতেন না, বরং বন্ধুকে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে সাহায্য করতেন। ক্রাসনাহোরকাইয়ের স্মৃতিতে এখনো উজ্জ্বল হয়ে আছে ডেভিড বর্নের আনা ভারতীয় সংগীতদলের সাথে কাটানো সেই সন্ধ্যা, যেখানে গিন্সবার্গ হারমোনিয়াম বাজিয়েছিলেন। এমনকি সেই মুহূর্তটি ধরে রাখতে তিনি কথোপকথন রেকর্ড করে উপহার দিয়েছিলেন অতিথিদের।

গিন্সবার্গকে তিনি একজন প্রকৃত বন্ধু ও এমন মানুষ হিসেবেই মনে রেখেছেন, যিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অন্যের জন্য পরামর্শ ও সুন্দর স্মৃতি রেখে গেছেন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাবিতে শিক্ষক ফোরামের র‍্যালি

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাবিতে শিক্ষক ফোরামের র‍্যালি

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর গোলাম ছাদিক এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমীরুল ইসলাম। র‍্যালি শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি বিএনপির রাজনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিএনপি দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রফেসর গোলাম ছাদিক আরও বলেন, একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষক সমাজকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি এ সময় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং শিক্ষাঙ্গনে একটি মুক্ত, নিরাপদ ও সহনশীল পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
নিজে বদলাব না, চুমু বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রাম কপুর

নিজে বদলাব না, চুমু বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন রাম কপুর

ওই ঘটনার পর শ্রেয়া অভিযোগ তুলেছিলেন যে, অভিনেতা তার ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করেছেন। তবে রাম কপুর দাবি করেছেন, বিষয়টি পরে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অভিনেতা জানান, শ্রেয়া নিজেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানিয়েছেন যে, তার আচরণ নিয়ে করা মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি খারাপ কিছু বোঝাতে চাননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাম কপুর স্পষ্ট করেন যে, অন্যের মন্তব্যের কারণে তিনি নিজের স্বভাব বদলাতে চান না।

তিনি বলেন, শ্রেয়া তার সঙ্গে একাধিকবার চ্যাট করেছেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি ওই মন্তব্যগুলো অন্য কোনো উদ্দেশ্যে করেননি। রামের ভাষায়, ‘ও আমাকে বলেছে, আমি ওই রকম কিছু বোঝাতে চাইনি এবং তুমি তোমার জায়গায় একেবারে ঠিক।’ অভিনেতা আরও বলেন, স্নেহ প্রকাশের ধরন হিসেবে তিনি ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই শারীরিকভাবে এমন আচরণ করে আসছেন। তাই কোনো বিষয় ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হবে ভেবে তিনি নিজেকে পরিবর্তন করতে রাজি নন। দীর্ঘ ২৭ বছরের অভিনয়জীবনে কোনো নারী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি বলে গর্ব প্রকাশ করেন রাম কপুর।

তিনি জানান, এসব অর্থহীন বিতর্ক নিয়ে তিনি মাথা ঘামাতে চান না এবং এ ধরনের বিষয় তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। অভিনেতার মতে, অনেক সময় ছোটখাটো বিষয়কে কেন্দ্র করে এমন বিতর্ক তৈরি করা হয় যা মূল প্রসঙ্গের বাইরে চলে যায়। জীবন খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার জীবনে অনেক ইতিবাচক বিষয় রয়েছে এবং তিনি সেগুলোর দিকেই মনোনিবেশ করতে চান। এছাড়া সাক্ষাৎকারে তিনি শ্রেয়ার সঙ্গে তার সম্পর্কের জটিলতা ও মতবিরোধের বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

পৃষ্ঠা ১২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে পেন্টাগনের নতুন ভাবনা

যদিও এ ব্যাপারে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে পেন্টাগন সেনা সংখ্যা হ্রাস করা অথবা তাদের বাহিনীকে পশ্চিম দিকে সরিয়ে নেওয়ার মতো বিকল্পগুলো নিয়ে ভাবছে। এই পর্যালোচনাটি কেবল লজিস্টিকস বা অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্যকে নতুনভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় ২০টি ঘাঁটিতে ৫০,০০০ সৈন্য মোতায়েন রেখেছে। এর মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ, বাহরাইনের এনএসএ, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও ক্যাম্প বুহরিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি অন্যতম।

সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের হামলায় অন্তত ১৫টি মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে কাতারের আল-উদেইদে অবস্থিত রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, বাহরাইনে অবস্থিত নৌসদর দপ্তর, গুদাম ও বিভিন্ন যোগাযোগ অবকাঠামো, এবং কুয়েতে অবস্থিত বিমান, লজিস্টিকস ও সহায়তা কেন্দ্র। প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ২৯আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৩১

পৃষ্ঠা ১১corruptionwatchbangladesh
মূল পৃষ্ঠা ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১২ এর সংবাদ এর বাকি অংশ
পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ওসমানীনগরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল নিয়ে মুখোমুখি বিএনপির তিন পক্ষ

ওসমানীনগরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল নিয়ে মুখোমুখি বিএনপির তিন পক্ষ

জানা গেছে, এদিন বিকেল সাড়ে ৩টায় তাজপুর বাজারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সিনিয়র সদস্য সৈয়দ এনামুল হক এনাম পীরের নেতৃত্বে একটি অংশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করে। একই সময়ে কদমতলা থেকে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদী লুনার অনুসারী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা আরেকটি বর্ণাঢ্য মিছিল নিয়ে তাজপুর বাজারের দিকে এগিয়ে আসেন। অন্যদিকে, বিকেল ৩টায় গোয়ালাবাজারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দাল মিয়া, ইউপি সদস্য ইমরান রব্বানী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া ও জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমানের নেতৃত্বে আরেকটি অংশ আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তাজপুর বাজারে সৈয়দ এনামুল হক এনাম পীরের নেতৃত্বে আয়োজিত মিছিলটি কদমতলা ঘুরে বনফুলের সামনে এসে পথসভায় মিলিত হয়।

একই সময়ে তাহসিনা রুশদী লুনার অনুসারীদের মিছিলটি সেখানে পৌঁছালে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এর আগে গত ২৭ আগস্ট তাজপুর বাজারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি সভায় তার অনুসারী দুই বলয়ের মধ্যে হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্কের ঘটনা ঘটেছিল।

সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পৃথক কর্মসূচি এবং একই সময়ে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ওসমানীনগরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের বিরোধকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
নতুন বোর্ড অব গভর্নরসে যুক্ত হলেন তিন আলেম

নতুন বোর্ড অব গভর্নরসে যুক্ত হলেন তিন আলেম

দেশের কওমি অঙ্গন ও আলেমসমাজের পরিচিত মুখদের নিয়ে গঠিত এই বোর্ডে নতুন করে তিনজন আলেম গভর্নর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংস্থা-১ শাখা থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৮৩-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন এই বোর্ডে পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এছাড়া পদাধিকারবলে গভর্নর হিসেবে থাকছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক।

মহাপরিচালক বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বোর্ডে সরকার মনোনীত দুইজন সংসদ সদস্যকেও গভর্নর হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। দেশের প্রখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত ও ধর্মীয় তাত্ত্বিকদের মধ্য থেকে মোট পাঁচজন আলেমকে গভর্নর হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে তিনজনই নতুন।

নতুন যুক্ত হওয়া আলেমেরা হলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী; মারকাজুল হুদা আল-ইসলামী বাংলাদেশের মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মুফতি আজহারুল ইসলাম এবং নূরে মদিনা আল-আরাবিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও যাত্রাবাড়ীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের খতিব এবং সম্মিলিত ইমাম-খতিব পরিষদের মহাসচিব মুফতি শরীফ উল্লাহ। এর আগে থেকে বোর্ডে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এবং চরমোনাই আহসানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্যান্য গভর্নরদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও সরকার নতুন গভর্নর মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

এছাড়া সরকার প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় পদাধিকারবলে নিযুক্ত গভর্নর ছাড়া অন্য গভর্নরদের পরিবর্তন কিংবা তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।

পৃষ্ঠা ১ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা ভুল, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

বেতন দ্বিগুণ হওয়ার ধারণা ভুল, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়বে কি না—এমন বিতর্কের প্রতিক্রিয়ায় জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘একটা জিনিস মিস করছি, বেতন কি অনেক বেড়ে যাবে? আমি কথা বলে দেখেছি, অনেক সরকারি কর্মচারী আছেন, তাঁদের অনেকের বেতন ইনক্রিমেন্ট হতে হতে ওই পর্যায়ে (নতুন স্কেলের মতো) চলে গেছে। আমি অনেককে হিসাব করতে দেখেছি, নতুন স্কেল হওয়ার পরে তাঁদের বেতন আসলে কত টাকাই–বা বাড়বে?’ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, ১০০ শতাংশ স্কেলে যখন উন্নীত হয়ে যাবে, বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।

কথাটি কিন্তু এ রকম নয়। আমরা কি পয়েন্টটি ধরতে পেরেছি? অনেক সিনিয়র কর্মচারী আছেন, তাঁদের বেতন ইনক্রিমেন্ট হতে হতে নতুন বেতন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।’ জাহেদ উর রহমানের মতে, এটি মূলত বৈষম্য কমানোর জন্য নেওয়া একটি পদক্ষেপ। গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের মধ্যে মূল বেতন বৃদ্ধি মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন কাঠামোর ভাতা একযোগে কার্যকর হবে। নতুন বেতনকাঠামোয় গ্রেডভেদে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

আর গ্রেড ১২ থেকে ২০ পর্যন্ত বাড়ানোর হার ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ। সেই হিসাবে সর্বনিম্ন ২০ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ২০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ ১ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
টাঙ্গাইলে নারী সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

টাঙ্গাইলে নারী সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে এটিএন বাংলার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নাসির উদ্দিনকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি মালেক আদনান এবং যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার শামীম আল মামুন। হেনস্তার শিকার রুমি আক্তার পলি গ্লোবাল টেলিভিশনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, ডেইলি বাংলাদেশের বিশেষ প্রতিবেদক এবং দৈনিক বাংলাদেশের আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত। তিনি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ছবি ব্যবহার করে আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এসব ঘটনার বিষয়ে গত ২৮ আগস্ট তিনি টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তদন্ত কমিটি গঠনের পূর্বে রুমি আক্তার পলিকে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় ডাকা হয়েছিল। পলি জানান, সভায় অলোক কুমার দাস নামে এক ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হয়েছিল।

পলি অভিযোগ করেন, অলোক কুমার দাস এর আগেও তাকে অশালীন কথা বলেছেন। এছাড়া নাহার চাকলাদার নামে আরেক নারী সাংবাদিক এবং গ্রীন টেলিভিশনের এক প্রতিনিধির সঙ্গেও অলোক কুমার দাসের একই ধরনের আচরণের অভিযোগ রয়েছে। পলি জানান, ২৬ আগস্ট সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা ও সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ ঘটনা জানতে চাইলে তিনি অলোক কুমার দাসের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে ধরেন। সে সময় বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ এবং সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদ অলোক কুমার দাসের অনভিপ্রেত আচরণের বিষয়টি অস্বীকার করেননি।

প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও সাংবাদিকদের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

পৃষ্ঠা ২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে জিম্মি করে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই

কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক ম্যানেজারকে জিম্মি করে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বসুরহাট-হাজারীহাট সড়কের বিদ্যুৎ অফিস এলাকায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী আবদুর রহমান ইসলামী ব্যাংক আবু মাঝির হাট এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে আবদুর রহমান বসুরহাট থেকে ১২ লাখ টাকা তুলে মোটরসাইকেলযোগে আবু মাঝির হাটের দিকে যাচ্ছিলেন।

পথিমধ্যে বিদ্যুৎ অফিস এলাকা অতিক্রম করার সময় ডিবি পুলিশের পোশাক পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি একটি প্রাইভেটকার নিয়ে তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, ডিবি পুলিশের পোশাক পরিহিত ওই ব্যক্তিরা অস্ত্র প্রদর্শন করে আবদুর রহমানকে ইয়াবা বিক্রির মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রাইভেটকারে তুলে নেয়। এরপর তাকে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর এলাকায় নামিয়ে দিয়ে তার কাছে থাকা ১২ লাখ টাকা নিয়ে চক্রটি পালিয়ে যায়। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম জানান, ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের একটি মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর ডিবি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চান মোদি

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চান মোদি

বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টে নরেন্দ্র মোদি জানান, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তা আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের বাণিজ্যিক পণ্যের পরিধি বাড়ানো এবং তা বহুমুখী করতে চায় ভারত। ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ শুরু হওয়ার মাত্র সাত দিন পর মোদির কাছ থেকে এই বক্তব্য এলো। ওয়াশিংটনের এই নতুন অভিযানের লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক কার্যক্রম, জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে চাপ সৃষ্টি করা।

এর ফলে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনাকারী বিদেশি পক্ষগুলোর ওপরও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ছয় মাস আগে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পর এই প্রথম দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন মোদি ও পেজেশকিয়ান। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ওই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে ভারত সব সময় সমর্থন দিয়ে যাবে।

পৃষ্ঠা ৩ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনকে শান্তির বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনকে শান্তির বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এই বার্তা দেন তিনি। বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে মোদি বলেন, এখন অন্তহীন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে যুদ্ধের অবসানের পথে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। তিনি আরও যোগ করেন, ইউক্রেন ইস্যুতে ভারত বরাবরই শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। এর আগেও পুতিনের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তিনি রাশিয়ার অবস্থান শুনেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সবার প্রত্যাশা যে এই যুদ্ধ যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক। তিনি বিশ্বাস করেন, সব ধরনের সমস্যার সমাধান শান্তিপূর্ণ উপায়ে হওয়া উচিত, যা শুধু একটি নির্দিষ্ট দেশের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির স্বার্থে অপরিহার্য। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির এই মন্তব্য দুই বছর আগে দেওয়া তার বহুল আলোচিত ‘এটি যুদ্ধের যুগ নয়’ বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি। ওই বক্তব্যটি অতীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তা আবারও আলোচনায় এসেছে।

পৃষ্ঠা ৪ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
মক্কা প্যাক্টে সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক, বললেন আসিফ মাহমুদ

মক্কা প্যাক্টে সরকারের উদ্যোগ ইতিবাচক, বললেন আসিফ মাহমুদ

আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এমন হওয়া উচিত, যেন কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে গিয়ে অন্য কোনো রাষ্ট্র বা অঞ্চলের সঙ্গে দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। দেশের বর্তমান গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত দাম ও ভুতুড়ে বিল পরিশোধ করার পরও নাগরিকরা পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। পরিস্থিতি ২০০৫ সালের আগের সময়ের মতো সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। প্রবাসী শ্রমবাজারের অনিয়ম ও বিমান টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সৌদি আরবের বিমান টিকিটের দাম প্রায় ৩৫০ ডলার বা প্রায় ৪০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছিল।

কিন্তু বর্তমানে সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সেই টিকিটের দাম ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা, এমনকি ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্য দেশের কর্মীদের তুলনায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের দেশটিতে যেতে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে, যা কোনোভাবেই একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা ন্যায্য পরিস্থিতি নয়। এসব সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি।

বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক শক্তি মূলত তাদের প্রতিবাদের সক্ষমতার ওপরই নির্ভর করে। জনগণের কষ্টগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার বিরুদ্ধে এটি তাদের একটি প্রতিবাদ এবং সংস্কার প্রতিশ্রুতির অংশ।

পৃষ্ঠা ৫ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
কাতারের এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত

কাতারের এলএনজি সরবরাহ অনিশ্চিত, ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত

বাংলাদেশ সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ও খোলাবাজার—এই দুই উৎস থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর কাতার ও ওমান থেকে নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। মাঝেমধ্যে এক-দুটি কার্গো এলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় দেশে গ্যাসের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। কাতার এনার্জির সর্বশেষ বাতিল হওয়া চালানগুলোর সময়সীমা নভেম্বরের প্রথমভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

ইতালির জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এডিসন জানিয়েছে, এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত তাদের প্রায় ২৯টি এলএনজি চালান বাতিল হয়েছে, যার মাধ্যমে ৩৮০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস আমদানির কথা ছিল। এসব চালানে প্রায় ২০০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস ছিল। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির বিশেষজ্ঞ অ্যান-সোফি করবো মনে করেন, কোনো রাজনৈতিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা চলতে পারে। আইসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম ছয় মাসে কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজি চালান রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ৫০৯টি চালানের তুলনায় নগণ্য।

আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৫০৯। এতে কাতারের গ্যাস বিক্রি থেকে আয় কমেছে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের মতো। অন্য রপ্তানিকারকেরা অবশ্য ঘাটতির একাংশ পূরণ করছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নাইজেরিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, তবুও কাতারের ঘাটতি পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলো উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। অন্যদিকে, জাপানের মতো দেশগুলো ভিন্ন উৎস ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে আছে। ২০২৬ সাল নাগাদ বৈশ্বিক এলএনজি বাণিজ্যের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং ২০২৮ সালের আগে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য ফেরার সম্ভাবনা কম।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজগুলো বিশেষায়িত হওয়ায় দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করা কঠিন। কাতার এনার্জির ১২টি উৎপাদন ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও সেগুলো পুনরায় চালু করতে দুই মাস সময় লাগতে পারে এবং রাস লাফান এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও দুটি ইউনিট মেরামতে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর সীমিত পরিসরে পরিবহন শুরু হলেও নতুন করে হামলার ঝুঁকিতে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্র্যাক্সিস একাডেমি’

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ে নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্র্যাক্সিস একাডেমি’

স্মার্ট অনুশীলন, সরাসরি পরীক্ষা, প্রশ্নভাণ্ডার, অগ্রগতি বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সহায়তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি চিহ্নিত করে ফলাফল উন্নয়নে সহায়তা করবে এই প্ল্যাটফর্ম। প্র্যাক্সিস একাডেমিতে রয়েছে ই-পাঠাগার, বিষয় ও পাঠভিত্তিক অনুশীলন, প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো পরীক্ষা, সরাসরি পরীক্ষা, প্রশ্নভাণ্ডার, অগ্রগতি প্রতিবেদন ও অবস্থান তালিকা। এসব সুবিধার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু পড়াশোনাই করবে না, নিয়মিত নিজেদের প্রস্তুতির অবস্থাও যাচাই করতে পারবে। প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম বিশেষ সুবিধা ‘প্র্যাক্সিস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যক্রমভিত্তিক সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জটিল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা করবে এটি। পড়ার সময় কোনো বিষয় বুঝতে সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাখ্যা পাওয়ার সুযোগও থাকবে। ই-পাঠাগারের মাধ্যমে মুঠোফোনেই পাঠ্যসূচিভিত্তিক পড়াশোনা করা যাবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করা, নিজের নোট যুক্ত করা এবং পর্দায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নেওয়ার সুবিধা রয়েছে।

কোনো বিষয় পড়ার পর ‘সক্রিয় স্মরণ’ পদ্ধতিতে শেখা বিষয় কতটা আয়ত্ত হয়েছে, তা যাচাই করা যাবে অনুশীলন সুবিধার মাধ্যমে। এছাড়া নির্দিষ্ট বিষয় বা পাঠ নির্বাচন করে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, ভুলের ধরন এবং সময় ব্যবস্থাপনা যাচাইয়ে সহায়তা করবে। সরাসরি পরীক্ষার সুবিধার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। প্রশ্নভাণ্ডারে বিগত বছরের বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন, ক্যাডেট কলেজ এবং বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ও সমাধান রাখা হয়েছে।

অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে ভালো করছে এবং কোথায় পিছিয়ে আছে, তা শনাক্ত করা যাবে। অবস্থান তালিকার মাধ্যমে দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীর তুলনায় নিজের অবস্থানও দেখা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে প্র্যাক্সিস একাডেমির ব্যবসা বিভাগের প্রধান প্রণয় মণ্ডল বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের কাছে ভালো শিক্ষামূলক বিষয়বস্তুর অভাব নেই, কিন্তু শেখা এবং কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি রয়েছে। কার্যকর অনুশীলন, ভুল সম্পর্কে ধারণা এবং নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞানের অভাব পূরণের লক্ষ্যেই প্র্যাক্সিস একাডেমিকে তৈরি করা হয়েছে।

তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষার দিকে নিয়ে যাওয়াই তাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতে প্রচলিত বই পড়ার অভিজ্ঞতাকে আরো আকর্ষণীয় করতে মিথস্ক্রিয়াশীল ই-বই চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
বেরোবির দুই শীর্ষ পদে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার

বেরোবির দুই শীর্ষ পদে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার

এছাড়া নতুন ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া হলেও এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও তিনি এখনো দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনাকে চার বছরের জন্য বেরোবির প্রথম উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক এই পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ২০০৯-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, আচার্য চাইলে নির্ধারিত শর্তে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অধ্যাপককে উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে একাডেমিক তদারকি, নীতিনির্ধারণী কমিটির সমন্বয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপ-উপাচার্যের ভূমিকা অপরিহার্য। পদটি দীর্ঘ সময় শূন্য থাকায় বর্তমানে উপাচার্য ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে ট্রেজারার পদ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।

প্রায় দুই বছর খালি থাকার পর গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে নিয়োগের এক মাস পার হলেও তিনি এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেননি। এর আগে ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট তৎকালীন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে পদত্যাগ করার পর থেকে পদটি খালি ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন ট্রেজারার নিয়োগ হলেও তাঁর যোগদান না করায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

যোগদানের বিষয়ে নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, এক মাসে আগে যেমন ছিল এখনো তেমনি আছে। আর এ বিষয়ে আমার কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তারা হয়তো সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানিয়েছেন, প্রো-ভিসির নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আপডেট নেই। এ নিয়োগ আমার হাতে নয়। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। আর ট্রেজারারের জন্য আমরা চেয়েছিলাম এবং নিয়োগও পেয়েছিলাম।

তবে বিভিন্ন কারণে সে এখনো যোগদান করতে পারে নাই।

পৃষ্ঠা ৬ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
লাস ভেগাসে বাবার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপনে প্রিন্স জ্যাকসন

লাস ভেগাসে বাবার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপনে প্রিন্স জ্যাকসন

২৯ আগস্ট লাস ভেগাসের ম্যান্ডালে বে-তে অবস্থিত ‘মাইকেল জ্যাকসন ওয়ান’ শো-তে উপস্থিত হন প্রিন্স। সার্ক দু সোলেইয়ের এই বিশেষ শো-টি মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গানগুলোর সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে এবং এটি তার বাবার জন্মদিন উপলক্ষে এক বিশেষ আয়োজন ছিল। বাবার উত্তরাধিকার নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করে প্রিন্স পিপল ম্যাগাজিনকে জানান, বাবার বায়োপিক মুক্তির পর তার প্রভাব এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাবার গান ও বার্তা পৌঁছে যাওয়া দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আশাবাদী যে, এই উদ্যোগ পৃথিবীকে আরও ভালো জায়গায় পরিণত করবে।

উল্লেখ্য, প্রিন্স জ্যাকসন এই বায়োপিকটির প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ উদযাপনের বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে প্রিন্সকে এই আয়োজনে অংশ নিতে দেখা গেছে। ভক্তরা প্রিন্সের এই বিরল উপস্থিতিকে অত্যন্ত আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, প্রিন্স বেশিরভাগ সময় নিজেকে আড়ালে রাখেন বলেই বাবার জন্মদিনে এই শ্রদ্ধা নিবেদনগুলো আরও বেশি আন্তরিক মনে হয়।

আরেকজন লিখেছেন, প্রিন্স জ্যাকসনকে বাবার জন্মদিন উদযাপনে বেরিয়ে আসতে দেখে বোঝা যায়, এত বছর পরেও মাইকেল জ্যাকসনের উত্তরাধিকার কতটা বিশাল। ২০০৯ সালে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর সময় প্রিন্সের বয়স ছিল ১২ বছর। এর আগে তার সর্বশেষ জনসমক্ষে উপস্থিতি ছিল মাইকেল ছবির প্রিমিয়ারে, যেখানে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন প্রিন্সের কাজিন জাফর জ্যাকসন।

পৃষ্ঠা ১২ এর পর সংবাদ এর বাকি অংশ
এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে নেওয়ার প্রস্তাব: শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শিক্ষাবিদের আহ্বান

এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে নেওয়ার প্রস্তাব: শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শিক্ষাবিদের আহ্বান

আগামী মার্চ মাসে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যে এর সময়সূচিও প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষামন্ত্রী প্রথমে ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। পরে তিনি জানুয়ারি মাসে এসএসসি এবং জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে শিক্ষাবিদদের মতে, ডিসেম্বর মাসে শীতকালীন ও ক্রিসমাসের দীর্ঘ ছুটির কারণে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া কোনো দেশেই প্রচলিত নয়।

এর চেয়ে অক্টোবর মাসে পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত ও কার্যকর হতে পারে। বাংলাদেশে জানুয়ারি মাসে দশম শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়া থেকে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি পর্যন্ত প্রায় ২০ মাস সময় লাগে, যা বিশ্বে এসএসসি সমমানের সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘতম সময়ের রেকর্ড। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যারা দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করেছে, তারা ২০২৬ সালের মার্চে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এরপর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে তাদের উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস শুরু হবে।

তারা এইচএসসি পরীক্ষা দেবে ২০২৮ সালের জুন বা জুলাইয়ে, যার ফল প্রকাশ হবে ওই বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। প্রথম সুযোগে ভর্তি হতে পারলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু করতে ২০২৯ সালের জুন মাস লেগে যাবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের এই দীর্ঘসূত্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজ일্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং লাতিন আমেরিকার ব্রাজিলে দশম শ্রেণি থেকে এইচএসসি পাস করতে মাত্র তিন বছর সময় লাগে।

ভারতে তাদের অর্থবছরের সঙ্গে মিল রেখে একাডেমিক বর্ষ এপ্রিল থেকে মার্চের মধ্যে শেষ হয় এবং এর ভেতরেই পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ইউরোপে স্কুল বর্ষ সেপ্টেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত চলে। সিঙ্গাপুরে মাধ্যমিক (জিসিই ও-লেভেল) ও উচ্চমাধ্যমিক (জিসিই এ-লেভেল) পরীক্ষা সেপ্টেম্বর ও নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়ে জানুয়ারি মাসে ফল প্রকাশ করা হয়। সময়ের কথা চিন্তা করে এখনো অধিকাংশ ইউরোপিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলরস ডিগ্রি তিন বছর মেয়াদি বা ১৮০ ক্রেডিটের হয়ে থাকে।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এবং লাতিন আমেরিকার অনেক দেশেও স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলরস ডিগ্রি তিন বছর মেয়াদি। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিসিনে ৪-৫ বছর সময় লাগে। উন্নত বিশ্বে কর্মমুখী শিক্ষার ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা ডিগ্রি ছয় মাস থেকে তিন বছর মেয়াদি হলেও বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি চার বছর মেয়াদি এবং এটি পাস করতে শিক্ষার্থীদের ৫-৬ বছর সময় লেগে যায়। আমাদের দেশে ঢালাওভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয় চার বছর মেয়াদি করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় একমাত্র পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নেওয়া হয় ১২ ক্লাস পড়ার পর। দশম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা স্কুলেই অনুষ্ঠিত হয় এবং যারা এইচএসসি পড়বে না, তাদের স্কুল থেকেই সনদ দেওয়া হয়। সেখানে অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা হয়ে ডিসেম্বরে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এইচএসসির কিছু পরীক্ষা একাদশ শ্রেণিতেও নেওয়া হয় এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ও টিউটোরিয়াল আগেই শেষ করে চূড়ান্ত ফলাফলে যোগ করা হয়।

বাংলাদেশে রাজনীতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে একজন ছাত্র হয়তো ২০৩৪ সালে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক পাস করবে। এরপর মাস্টার্স করলে আরও দুই বছর লাগবে। সব ঠিক থাকলে তারা শ্রমবাজারে প্রবেশ করবে ২০৩৬ সালের দিকে। আর বিসিএস পরীক্ষার প্যাকেজে ঢুকলে চাকরি শুরু করতে আরও দেরি হবে।

এর বিপরীতে, অস্ট্রেলিয়ায় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দশম শ্রেণি শুরু করা একজন ছাত্র ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এইচএসসি পাস করবে এবং ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করবে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বরে যখন সে তিন বছরের স্নাতক শেষ করে বেরোবে, তখন বাংলাদেশের একজন ছাত্র প্রথম বর্ষ শেষ করে কেবল দ্বিতীয় বর্ষে পা দেবে। অস্ট্রেলীয় শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিক চাকরিতে প্রবেশ করবে ২০৩১ সালে। শুধু সিস্টেমের ত্রুটির কারণে বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীর জীবন থেকে প্রায় ৫ বছর হারিয়ে যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়াতে দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন পর্যন্ত যেখানে মাত্র ৬-৭ বছর লাগে, সেখানে আমাদের দেশে লেগে যাচ্ছে ১০-১৪ বছর। ২০২৬ সালের ২০ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীর সম্মিলিত সময়ের অপচয় হিসাব করলে তা দাঁড়ায় প্রায় ১০০ লাখ বছর। এই বিশাল সময়ের অপচয় দেশের অর্থনীতি ও সমাজের জন্য শত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি ডেকে আনছে। ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন এবং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা কাজে লাগাতে হলে এই তরুণ জনশক্তির সময়ের অপচয় রোধ করা অত্যন্ত জরুরি।

এই সংকট উত্তরণে একটি সমন্বিত শিক্ষাবর্ষ ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়ে ড. মো. রওশন জামাল বলেন, অক্টোবর মাসে এসএসসি পরীক্ষা শুরু করে ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা যেতে পারে। এরপর জানুয়ারি মাস থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করে পরের বছরের মে মাসে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং আগস্টে ফল প্রকাশ করা সম্ভব। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তী বছরের জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু করা উচিত। এই নতুন পদ্ধতিটি তাড়াহুড়ো না করে ২০২৭ সাল থেকে শুরু করা যায়।

তবে সেশনজট দূর করতে ছাত্ররাজনীতি ও শিক্ষক রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব বন্ধ করা এবং সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষামন্ত্রী যদি এই সমন্বিত শিক্ষাশৃঙ্খল তৈরি করতে পারেন, তবে তা নতুন প্রজন্মের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে এবং জাতি তাঁকে দীর্ঘকাল স্মরণ রাখবে। ১৮-২০ মাসে এসএসসি (ইয়ার টেন) সম্পন্ন করার বৃত্ত থেকে এ যাত্রাও বের হওয়া গেল না। অথচ সারা দুনিয়ায় ১০-১২ মাসে সম্পন্ন হয়ে থাকে দশম শ্রেণি সমাপনী এই সার্টিফিকেট।