বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বাঘ পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র্যের একটি অপরিহার্য অংশ। এই মূল্যবান প্রাণীকে রক্ষা করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংরক্ষণ বিষয়ক ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আয়োজিত একটি র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বাঘের সংখ্যা হ্রাসের উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, প্রায় একশ বছর আগে বিশ্বজুড়ে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। বর্তমানে এই সংখ্যা কমে মাত্র পাঁচ হাজারের কোঠায় নেমে এসেছে। বাঘের অস্তিত্ব যে মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে, এই পরিসংখ্যানই তার সুস্পষ্ট প্রমাণ। তিনি সতর্ক করে বলেন, আমরা যদি এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে না পারি এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ব্যর্থ হই, তবে ভবিষ্যতে এই প্রজাতি আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হবে।

বাঘ আমাদের জাতীয় সম্পদ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রাণী সংরক্ষণে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। এর মূল লক্ষ্য হলো, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঘ সম্পর্কে জানতে পারে এবং এর সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়।

বাঘ গণনার বাজেট ও স্বচ্ছতা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, বাঘ গণনার বিষয়টি মূলত বন বিভাগের আওতাধীন এবং এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সরাসরি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বন বিভাগ তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।