দেশের ৬৪ জেলায় আয়োজিত হবে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’

দেশের ফ্রিল্যান্সিং শিল্পের বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)-এর প্রতিনিধিদল ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মধ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাক্কোর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আলিম ও পরিচালক আব্দুল কাদের। অন্যদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন যুগ্মসচিব (আইসিটি প্রমোশন ও গবেষণা অনুবিভাগ) ড. মো. তৈয়বুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাহবুব আলম।

সভায় জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলায় এই সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সার ও আগ্রহীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ সন্ধান, ক্যারিয়ার গঠন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। এছাড়াও ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফ্রিল্যান্সারদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির বিষয়ে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

জেলা পর্যায়ের আয়োজনের পাশাপাশি ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় ফ্রিল্যান্সার সামিট আয়োজনের প্রস্তাবও সভায় আলোচিত হয়েছে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রীয় সম্মেলনে নীতিগত আলোচনা, সেমিনার, বিশেষজ্ঞ প্যানেল, সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের মতবিনিময়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের মতো ফ্রিল্যান্সিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

বাক্কো জানিয়েছে, দেশের ফ্রিল্যান্সিং, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) ও আইটি এনাবলড সার্ভিস (আইটিইএস) খাতের টেকসই উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।