ঢাকায় আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর আজ ঢাকা সফরে আসছেন। কূটনৈতিক সূত্রে তাঁর এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে, এই সফরের অংশ হিসেবে আগামীকাল শুক্রবার তিনি কক্সবাজার যাবেন। সেখানে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করবেন।

২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রথম আলো বাংলা (prothomalo-bangla/2026-07-22/h1y5qvfx/PTLLDMFUZVK73HMKGIOY3YTEQM.avif) সূত্রে জানা যায়, এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ১৯৪৬ সালের ১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি মূলত একজন ধনকুবের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় কেটেছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শোবিজ অঙ্গনে। ২০১৫ সালের ১৫ জুন আচমকা প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা ঘোষণার সময় তাঁর রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে অনেকের সংশয় থাকলেও, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে তিনি হোয়াইট হাউসে যান।

২২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন (https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-22/fyuuopm4/Raheed_Ezaz.jpeg) অনুযায়ী, সাংবাদিক রাহিদ এজাজ (fyuuopm4) এই কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছিলেন। নিউইয়র্কের আবাসন ব্যবসায়ী ফ্রেড ট্রাম্পের পাঁচ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ ট্রাম্প পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ারটন স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বাবার ব্যবসায় যোগ দেওয়ার পর তিনি হোটেল, গলফ কোর্স ও ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসার সম্প্রসারণ করেন। এছাড়া তিনি ‘দ্য অ্যাপ্রেনটিস’ রিয়্যালিটি শোর উপস্থাপক হিসেবেও ব্যাপক পরিচিতি পান।

২২ মে ২০২৬-এর তথ্যসূত্র (prothomalo-bangla/2026-05-22/fyuuopm4/Raheed_Ezaz.jpeg) অনুযায়ী, রাহিদ এজাজ (raheed) উল্লেখ করেন যে, ব্যক্তিগত জীবনে ট্রাম্প তিনবার বিয়ে করেছেন এবং পাঁচ সন্তানের জনক। রিপাবলিকান পার্টির সদস্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি নানা সময়ে আলোচনার কেন্দ্রে থেকেছেন। বিশেষ করে রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন, অভিবাসন নীতি, মুসলিম নিষেধাজ্ঞা এবং বিভিন্ন নির্বাহী আদেশ নিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন। তাঁর প্রশাসনের বৈশ্বিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা বিতর্কের মধ্যেই তিনি দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।