দেশের অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং ব্যবসার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার জটিলতাগুলো সহজ করার জন্য সরকার কাজ করছে এবং আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই এর সুফল দৃশ্যমান হবে। মঙ্গলবার ইপিবি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ১৪৯তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে অর্থনীতির বিকাশ ও ব্যবসার সম্প্রসারণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সরকার কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিনিয়োগ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
রপ্তানি খাতের সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, লেদার, এগ্রো প্রসেসিং এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোতে ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। তিনি তরুণ উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় ইপিবির সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, নতুন ব্যবসায়ীদের বিদেশে বাজার অনুসন্ধান বা ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে আর্থিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকে, যাদের ইপিবি পৃষ্ঠপোষকতা করবে।
সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ক্যালেন্ডার অনুমোদন করা হয়েছে। এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১২টি অগ্রাধিকার খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করে ২৭টি দেশে মোট ৫০টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

