শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে নতুন বিধিমালা প্রবর্তন করা হয়েছে। সোমবার রাতে এ বিষয়ে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঋণের নতুন শর্তাবলী ও সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ না থাকলে তিনি মার্জিন ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন না। মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে ১:১। এর অর্থ হলো, একজন বিনিয়োগকারীর নিজস্ব ১ লাখ টাকা থাকলে তিনি শেয়ার কেনার জন্য অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা পাবেন।
ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে জীবন বিমা খাত ছাড়া অন্য সব খাতের শেয়ারের জন্য মূল্য আয়ের অনুপাত বা পিই রেশিও সর্বোচ্চ ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো কোম্পানির শেয়ারের পিই রেশিও ৪০-এর বেশি হলে ওই শেয়ার কেনার জন্য মার্জিন ঋণ পাওয়া যাবে না। এছাড়া, যেসব কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস নেতিবাচক, সেসব কোম্পানির শেয়ারও ঋণের আওতার বাইরে থাকবে। জীবন বিমার ক্ষেত্রে পিই রেশিওর পরিবর্তে প্রাইস টু বুক ভ্যালু বা পিবি রেশিও বিবেচনা করা হবে।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্জিন কল এবং শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রেও নতুন সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিধিমালার আওতায়, গ্রাহকের ইক্যুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ থেকে আগাম নোটিশ পাঠাতে হবে। এরপর ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে কোনো নোটিশ ছাড়াই শেয়ার বিক্রি করার সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে শেয়ার বিক্রির বিষয়টি গ্রাহককে অবহিত করতে হবে।

