বিএনপি তাদের দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সকল কমিটিতে থাকা শূন্য পদগুলো পূরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ অন্যান্য নীতিনির্ধারক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের জানান, বিভিন্ন কারণে দলের অনেক কমিটিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে অনেকের মৃত্যু হয়েছে, আবার অনেকে নানা কারণে বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই শূন্য পদগুলো পূরণের ক্ষেত্রে দলের গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী নিচের পদে থাকা নেতাদের পদোন্নতি দিয়ে স্থলাভিষিক্ত করা যায় কি না, তা যাচাই-বাছাই করে কার্যকর করা হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করতে হবে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর তা জমা দিতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
রিজভী আরও জানান, বৈঠকে ডেঙ্গু সচেতনতায় দলের পক্ষ থেকে সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও হাটবাজারের কমিটিতে থাকা নেতাদের আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারেক রহমান প্রতি শনিবারে বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দলীয় প্রার্থী না দিয়ে একজনকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। এছাড়া জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

