যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেলে ইউরোপে অবস্থিত মার্কিন অবকাঠামোতে সরাসরি হামলার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে ইরান। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের ১৮ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইরানের এমন হুমকির কথা জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়াও রয়েছে। গত মাসে দেশটি তাদের বাজমার বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বিমানকে জ্বালানি সংগ্রহের বা রিফুয়েলিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল। এছাড়া সাইপ্রাসকেও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে তেহরান। উল্লেখ্য যে, গত মার্চ মাসে সাইপ্রাসে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে কোনো হামলা চালায়, তবে হরমুজ প্রণালির তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ফাইবার-অপটিক কেবলও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এর আগে টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যা 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' নামে পরিচিত। এই সময়ের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার কথা থাকলেও কোনো আলোচনা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
এদিকে, গত সপ্তাহে ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কট্টরপন্থি নেতাদের নিয়োগ দিয়েছেন। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিশ্চিত করেছেন যে, বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের আলোচনা চলছে না।

