নব্বই দশকের ঢালিউড সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর তিন দশক পার হতে চললেও তার প্রতি তরুণ প্রজন্মের মুগ্ধতা এখনো বিস্ময় জাগানিয়া। মিরপুরের বাসিন্দা ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা জামান ইষ্টি জানান, তার বাবা-মা দুজনেই সালমান শাহর ভক্ত ছিলেন। সেই সুবাদেই ছোটবেলা থেকে তিনি এই নায়কের সম্পর্কে জেনেছেন। সালমান শাহর ক্যারিয়ারের স্বল্প সময়ের সাফল্য এবং তার রহস্যজনক মৃত্যু তাকে বরাবরই আগ্রহী করে তুলেছে। ইষ্টির আক্ষেপ, তিনি যদি জীবিত থাকতেন, তবে অবশ্যই তার সঙ্গে দেখা করতেন।
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিছা নূজহাত সালমান শাহর প্রতি তার ভালো লাগার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, তিনি বাংলা সিনেমার অন্যান্য নায়ক-নায়িকাদের চেয়ে অনেকটাই ব্যতিক্রম ছিলেন। নাফিছার মতে, সালমান শাহর অভিনয়শৈলী এবং ফ্যাশন সেন্স তার সময়ের তুলনায় দুই কদম এগিয়ে ছিল। তাকে তিনি একটি প্রজন্মের আইকন হিসেবেই দেখেন। এই কারণেই তার সিনেমা, গান এবং ফ্যাশন স্টাইল আজও সমান জনপ্রিয়।
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ রাতারাতি তারকা খ্যাতি অর্জন করেন। এর চার বছরের মাথায় সিনেমার শেষ দৃশ্যের মতোই অকালপ্রয়াত হন এই জনপ্রিয় অভিনেতা।

