দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সামগ্রিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে নীতি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ১৩তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। গভর্নর ও কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় পূর্বের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম সভা ছিল।
সুদহারের এই পরিবর্তনের পাশাপাশি সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা হিসেবে পরিচিত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফেসিলিটি (এসএলএফ) রেটও সমন্বয় করা হয়েছে। এটি ১১.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা হিসেবে বিবেচিত স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি (এসডিএফ) রেট ৭.৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নীতি সুদহারের এই নতুন কাঠামো আগামী ২ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নীতি সুদহার কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
পর্যালোচনা শেষে কমিটি মুদ্রানীতির প্রধান হাতিয়ার নীতি সুদহার (রেপো রেট) ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা হিসেবে ব্যবহৃত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফেসিলিটি (এসএলএফ) রেট ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১১ শতাংশ করা হয়েছে।

