প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বিদেশ সফর নিয়ে এখনো কোনো নতুন তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়টি যখন চূড়ান্ত হবে, তখন তার কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে শামা ওবায়েদ বলেন, মিয়ানমারের সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একমত নয়। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (মিয়ানমার) মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছেন। রাষ্ট্রদূত বিষয়টি তার সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রত্যাবাসন যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা ধীরগতিতে চলছে এবং বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মানবিক ও মানবাধিকারের বিষয় বিবেচনা করেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। বাংলাদেশ চায় তারা যেন নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যায়। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চীন সফরের সময় সে দেশের সরকার মিয়ানমারের ওপর যথেষ্ট চাপ প্রয়োগের আশ্বাস দিয়েছিল এবং সার্জিও গোরের সঙ্গে আলোচনাতেও আন্তর্জাতিক চাপের বিষয়টি উঠে এসেছে।
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টার বিষয়ে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ নেই। এ কারণে প্রতিবেদনটি নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করার মতো তথ্য তাদের হাতে নেই। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে বলে তিনি জানান।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম একথা জানান।

