বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন যে, চীন থেকে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তিনি জানান, এই ট্রেনগুলো ঘণ্টায় সাড়ে ৩শ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। যদিও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর চেয়ে কম গতি হলেও চলবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। রোববার দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দর সচল রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি বেশ ভঙ্গুর অবস্থায় আছে। সামনে নতুন বেশ কয়েকটি এয়ারক্রাফট আসছে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার আশা করছেন, সেটি তাদের দুরাশা মাত্র। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কোনো সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা একসাথে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, এমন নজির পৃথিবীতে নেই। তার মতে, ফ্যাসিস্টরা আরও দু-তিন বছর ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশ সিকিমের মতো পরাধীন হয়ে যেত।
শেরপুরের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ঝিনাইগাতীতে একটি মোটেল নির্মাণ এবং মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীতে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সভায় শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সার্কিট হাউজে পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
দেশের ময়মনসিংহ ছাড়া ৭ বিভাগে বিমানবন্দর থাকার বিষয়ে বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশে ৮টি বিমানবন্দর চলমান রয়েছে। সেগুলোর মধ্যেই কয়েকটি ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। সামনে আমাদের অনেকগুলো এয়ারক্রাফট আসছে। ১০ বছরের মধ্যে আমাদের নতুন একটি বিমানবন্দর করতে হবে। সেক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্টরা যদি আর দু’তিন বছর থাকতো, তবে বাংলাদেশ সিকিমের মতো পরাধীন হয়ে যেতো। এ থেকে যদি আমরা কোনো শিক্ষা না নেই তবে আমাদের ভবিষ্যৎ খুবই খারাপ আছে। ফ্যাসিস্টের সময় দেশের সকল সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করে তাদের ইচ্ছামতো নির্দেশনা দিয়ে কাজ করাতেন। যে কারণে প্রায় ২০ বছর দেশে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন

