ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৯০ রানে হেরেছে পাকিস্তান। এই হারের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে টানা আট টেস্টে পরাজয়ের তেতো স্বাদ পেল দলটি, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে এক লজ্জার রেকর্ড। এর আগে বিদেশের মাটিতে এতগুলো টেস্ট হারের ঘটনা আর কখনো ঘটেনি। ক্যারিবীয় কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্সের জন্মদিনে এই জয়টি উৎসর্গ করেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ম্যাচে পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল ২১১ রান। তবে ক্যারিবীয় বোলারদের তোপে পড়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাবর আজমের দল। মাত্র ৭১ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত বাবরের অপরাজিত ৫৮ রান এবং মোহাম্মদ আব্বাসের ২৩ রানও দলকে রক্ষা করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত জেডেন সিলসের ফাইফারে পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১২০ রানেই গুটিয়ে যায়।
ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল ক্যারিবীয়দের দাপটে। প্রথম ইনিংসে শাই হোপের ৯২ এবং কাভেম হজের ৮৪ রানের ওপর ভর করে স্বাগতিকরা ৩১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে শান মাসুদের ১০৯ রান এবং ইমাম-উল-হকের ৬৩ রানের সুবাদে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৮২ রান তোলে। ২৯ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ আব্বাসের দারুণ বোলিংয়ে (৫/২২) ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১৮১ রানে অলআউট হয়েছিল, যা পাকিস্তানকে জয়ের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
ম্যাচসেরা হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাস্টিন গ্রিভস। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ রান সংগ্রহ করে। পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে করে ২৮২ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ১২০ রানে।
প্রথম ইনিংসে শাই হোপের ৯২ (১৮২ বল) এবং কাভেম হজের ৮৪ (১৮৩ বল) রানের ওপর ভর করে ক্যারিবীয়রা ৯৮.৫ ওভারে ৩১১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে অধিনায়ক শান মাসুদের দুর্দান্ত শতক (১০৯) এবং ওপেনার ইমাম-উল-হকের ৬৩ রানের ওপর ভর করে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে তোলে ২৮২ রান। ২৯ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। বিশেষ করে অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের চমৎকার বোলিংয়ে (৫/২২) মাত্র ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা।

