হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে পুলিশি বাধার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে 'জুলাই পদযাত্রা-২০২৬' কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপিসহ সিনিয়র নেতাদের পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। হামিদুর রহমান আযাদ একে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কারো ওপর হামলার স্থান গণতন্ত্রে নেই। যদি কারো বক্তব্য আক্রমণাত্মক মনে হয়, তবে তার জবাব রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। কথার জবাব সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেওয়া ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করেন। হামলায় জড়িত হবিগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করে বিরোধীদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলদাস না হয়ে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান হামিদুর রহমান আযাদ। ভবিষ্যতে এ ধরণের আচরণ থেকে বিরত থাকার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ’জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃবৃন্দের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ওই হামলার প্রতিবাদে ২৯ জুলাই বুধবার হবিগঞ্জে এক কর্মসূচিতে যোগ দ

