সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক করে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে—জামায়াতে ইসলামীর এমন অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আজ কোনো বৈঠক ছিল না। যেহেতু তিনি (তারেক রহমান) প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান, ওনাকে আমরা দায়িত্ব দিয়েছিলাম—আমাদের ডেকে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সেখানে কোনো বৈঠক হয়নি।’
এদিন বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান এবং সমর্থক হিসেবে ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক নিয়ে জামায়াতের সমালোচনার বিষয়ে বিএনপির চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগেই রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তিনি সেই সিদ্ধান্তই ঘোষণা করেছেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও একই সুরে বলেন, এটি স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠক ছিল না। স্থায়ী কমিটির সদস্যরা আগেই দলীয় চেয়ারম্যানকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
এদিকে বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব কে পাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘এটার জন্য অপেক্ষা করেন, পরে শুনবেন।’
বিএনপি নেতারা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলকে আগামী ২০ আগস্ট নির্বাচিত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকেও আলাদা প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।

