ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ইউপি নির্বাচন সাত ধাপে করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বা সরকার এ বিষয়ে কিছুই জানে না। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের এ নিয়ে কোনো চিঠি চালাচালি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আলোচনাও হয়নি।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং তাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আগে কমিশনের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। তিনি জানান, সাধারণত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা বা বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়, যা এবার হয়নি।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জানান, প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি পর্যায়ক্রমে সাতটি ধাপের সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করেন, যার শেষ ধাপের ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য সময় ২৭ মে। এর আগে চলতি বছরের আগস্ট মাসে ইসি তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করেছিল, যা বাস্তবায়িত হয়নি। এছাড়া জুনে জাতীয় সংসদে তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচ্য নয় এবং আইনেও এ বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।.এই নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।এর আগে নির্বাচন

