ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্পষ্টতায় ভারত

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে ভারত এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানে না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক মহলে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। শেখ হাসিনা, যিনি ১৯৯৬, ২০০৯ এবং ২০১৪ সাল থেকে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণকারী শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ ও গৃহবন্দীত্বের শিকার হয়েছেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও অর্জন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হয়েছে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ের মধ্যে রয়েছে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউনেস্কোর শান্তি পুরস্কারসহ পরিবেশ ও উন্নয়নে অবদানের জন্য তিনি বহু সম্মাননা পেয়েছেন। তাঁর ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এবং মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদসহ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ব্রিকস সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে এই নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।