কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমানে কেন্দ্রটির উৎপাদন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট থেকে কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কী কারণে এই ত্রুটি দেখা দিয়েছে তা খুঁজে বের করার কাজ চলছে এবং দ্রুতই উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রটিতে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
একই দিনে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ায় উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে। কয়লাস্বল্পতার কারণে আদানির কেন্দ্রটি এক মাস ধরে সীমিত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল। এর মধ্যে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেলে দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়। আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাথে যুক্ত দায়িত্বশীল দুজন কর্মকর্তা জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, যা মেরামত শেষে রোববার ভোরে পুনরায় উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে এটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে।
পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্র অনুযায়ী, বেলা ২টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে সকালের দিকে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল। ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির কেন্দ্রের উৎপাদন কমে গিয়েছিল। গত মাসের শেষ দিকে উৎপাদন বাড়িয়ে দিনের বেলায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করছিল তারা। বুধবার রাতে উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেলেও ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর তা ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছিল। ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সঙ্গে ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি।
৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট আছে এখানে।
বিকেলের দিকে সরবরাহ বেড়ে এক হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।.২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২৮ সালে আরও স্বস্তি, ৩০ সালে সংকটমুক্তি

