বিশিষ্ট আলেম ও গবেষক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, মুসলমানদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করে প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-এর আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিভক্তি নয় বরং ঐক্যবদ্ধ থাকাই রাসুলের প্রধান শিক্ষা। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে টাঙ্গাইল পৌর শহরের নিরালা মোড়স্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সিরাত মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহফিলে মুফতি আলী হাসান উসামা রাসুলের বিশিষ্ট সাহাবী হারিসুল আশআরী (রা.) বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা তার রাসুলকে উম্মতের জন্য পাঁচটি কাজের আদেশ দিয়েছেন। যার প্রথমটি হলো শোনা বা মেনে নেওয়া, দ্বিতীয়টি আনুগত্য করা, তৃতীয়টি জিহাদ করা, চতুর্থটি হিজরত করা এবং পঞ্চমটি জামায়াতবদ্ধ হয়ে বা ঐক্যবদ্ধভাবে জীবনযাপন করা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উলামা বিভাগের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, রাসুল (সাঃ) ছিলেন সবার জন্য আদর্শ ব্যক্তিত্ব। অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে তিনি নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সকল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে সারা পৃথিবীর সামনে শ্রেষ্ঠ মডেল উপস্থাপন করেছেন। তিনি আরও বলেন, আজকের বাংলাদেশেও রাসুলের অনুসরণের মধ্য দিয়ে ন্যায়, ইনসাফভিত্তিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।
টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদলের পরিচালনায় মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল ও অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, কর্মপরিষদ সদস্য আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোয়ার এবং মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ।
আলী হাসান উসামা রাসুলের বিখ্যাত সাহাবী হারিসুল আশআরী রা. বর্ণিত রাসুল সা. এর একটি হাদিস উল্লেখ করেন বলেন, যেখানে আল্লাহ তাআ’লা তার রাসুলকে ৫ টি কাজের আদেশ দিয়েছেন।
রাসুল (সাঃ) তার উম্মতকে সেই ৫ টি কাজের আদেশ দিয়েছেন। যার প্রথমটি হলো- শোনা বা মেনে নেওয়া, দ্বিতীয়টি আনুগত্য করা, তৃতীয়টি জিহাদ করা, চতুর্থটি হিজরত করা এবং পঞ্চমটি জামায়াত বদ্ধ হওয়া বা ঐক্যবদ্ধভাবে জীবনযাপন করা।

