তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উচ্চ তাপমাত্রায় শরীর ঠান্ডা ও শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় প্রচার করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়, দেশটিতে তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৮ দশমিক ১ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠেছে, যা আধুনিক আবহাওয়ার রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ।
উত্তর কোরিয়ায় বছরের সবচেয়ে উষ্ণ সময়কে ‘সামবক’ বা ‘ডগ ডেজ অব সামার’ বলা হয়। এবারের তীব্র গরম নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে অস্বাভাবিক প্রচার চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গ্রীষ্মের তীব্র গরম মোকাবিলায় এই খাবার বেশ উপকারী। গত ২ আগস্ট ক্ষমতাসীন দলের সংবাদপত্র ‘রোদং সিনমুন’-এ প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদনে পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের পরামর্শ তুলে ধরা হয়। সেখানে তরমুজ, শসা ও মুগডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি পুষ্টিকর হিসেবে কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস ও লাল বিনের পায়েস খাওয়ার কথা বলা হয়।
রোদং সিনমুনে কুকুরের মাংসের স্যুপ নিয়ে আলাদা প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এটিকে গ্রীষ্মকালের ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে উল্লেখ করে একটি পুরোনো প্রবাদ তুলে ধরা হয়েছে—‘গ্রীষ্মের তীব্র গরমে কুকুরের মাংসের স্যুপ পায়ের ওপর পড়লেও তা ওষুধ হয়ে যায়।’ প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরুতে দেশটিতে কুকুরের মাংস রান্নার একটি জাতীয় প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ বুধবার জিনসেং, আঠালো চাল ও খেজুর দিয়ে তৈরি মুরগির স্যুপ ‘সামগিয়েতাং’-এর প্রশংসা করেছে। গরম থেকে স্বস্তি পেতে পিয়ংইয়ংয়ের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় এ খাবার খেতে মানুষের ভিড় বাড়ছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে চরম গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে, যেখানে পর্যাপ্ত পানি পান, সাঁতার ও খোলা জায়গায় শরীরচর্চার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে তাপপ্রবাহে প্রাণহানির কোনো তথ্য সরকার প্রকাশ করেনি। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জনগণের মতোই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার পুরোনো প্রচারণা সামনে আনা হচ্ছে। ২০১৩ সালের গ্রীষ্মে কিমের ঘামে ভেজা পোশাকের নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনের ঘটনা এবং ২০১৮ সালে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্র খোঁজার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বর্তমানে দেশটির ওনসান কালমা কোস্টাল ট্যুরিস্ট জোন ও ওয়াটার পার্কগুলোতে গরম থেকে স্বস্তি পেতে বিপুল মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এ নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে কুকুরের মাংসের স্যুপ থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল- উচ্চ তাপমাত্রায় শরীর ঠান্ডা ও শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় তুলে ধরা হচ্ছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভি
আরেক প্রতিবেদনে কিমের একটি আচারযুক্ত সামুদ্রিক খাবার কারখানা পরিদর্শনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তখন তাপমাত্রা প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল বলে দাবি করা হয়। প্রতিবেদনে কিমকে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে গাঁজন কক্ষ পরিদর্শন এবং খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। তবে বর্তমান তাপপ্রবাহের মধ্যে কিম জং উন নি

