কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ এএম। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন যে, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। এই লক্ষ্য পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয় নিয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এই দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তাদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। গণতান্ত্রিক অধিকার কেবল ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সরকার দেশের জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর বলেও তিনি জানান।

তারেক রহমান অতীতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা স্মরণ করে বলেন, জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন এবং মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করে সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।