বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লড়াইয়ে পাত্তাই পায়নি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির মতো বিশ্বসেরা তারকা দলে থাকা সত্ত্বেও পুরো ম্যাচজুড়ে আলবিসেলেস্তেরা কেবল নিজেদের রক্ষণভাগ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল। এই হতাশাজনক হারের পেছনে কোচ লিওনেল স্কালোনির রণকৌশল থেকে শুরু করে মাঠের পারফরম্যান্সের ৫টি বড় কারণ বিশ্লেষণ করা হলো।
প্রথমত, আর্জেন্টিনা পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অতিরিক্ত মেসি-নির্ভর ছিল। আগের ম্যাচগুলোতে মেসি একাই দলকে টেনে তুললেও ফাইনালের মঞ্চে তিনি ছিলেন নিষ্প্রভ। পুরো ম্যাচে তাকে অনেকটা দর্শকের ভূমিকায় দেখা গেছে, যার ফলে আর্জেন্টিনার পুরো আক্রমণভাগই স্থবির হয়ে পড়েছিল। দ্বিতীয়ত, স্পেনের মাঝমাঠের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। স্প্যানিশরা ম্যাচের অধিকাংশ সময় বলের দখল রেখে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে, আর আর্জেন্টিনা কেবল তাদের তাড়া করতেই ব্যস্ত ছিল।
তৃতীয়ত, ম্যাচের সমীকরণ বদলে যায় এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডের ঘটনায়। ১১ জনের দল নিয়ে লড়াই চালানো আর্জেন্টিনার পক্ষে ১০ জন নিয়ে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের জয়রথ থামানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। চতুর্থত, রক্ষণভাগের মূল কাণ্ডারি লিসান্দ্রো মার্টিনেজের চোট। ফাইনালের প্রথমার্ধেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে তিনি মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। সবশেষে, কোচ লিওনেল স্কালোনির অতি-রক্ষণাত্মক মানসিকতা। টুর্নামেন্টজুড়ে সমালোচিত এই নেতিবাচক কৌশল ফাইনালেও দলটির ছন্দ নষ্ট করেছে, অথচ আক্রমণাত্মক খেলার সামর্থ্য তাদের ছিল।

