বিশ্বকাপে এক মিনিটও খেলার সুযোগ পাননি যে দুর্ভাগ্যবান ফুটবলাররা

বিশ্বকাপের টানা ছয় সপ্তাহের লড়াই শেষে অধিকাংশ খেলোয়াড় এখন বিশ্রামে থাকলেও, কিছু খেলোয়াড় পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই ছিলেন ‘বিশ্রামে’। বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের স্কোয়াডে মোট ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড় থাকলেও, দুর্ভাগ্যবশত কয়েকজন ফুটবলার যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

ফ্রান্সের এনগোলো কান্তে এবারের বিশ্বকাপে না খেলাটা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। ৩৫ বছর বয়সী এই তারকা ২০১৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন, কিন্তু এবার কোচ দিদিয়ের দেশম তাঁকে আটটি ম্যাচের একটিতেও মাঠে নামাননি। ইংল্যান্ডের কোবি মাইনু ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে একাদশে থাকলেও, বিশ্বকাপের পুরোটা সময় তাঁকে বেঞ্চেই কাটাতে হয়েছে। ইংল্যান্ডের একমাত্র আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে তিনি একটি মিনিটও মাঠে নামার সুযোগ পাননি, যদিও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের সময় তিনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না।

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ভিক্টর মুনিয়োজ চোটের কারণে প্রথম কয়েকটি ম্যাচে খেলতে পারেননি এবং পরবর্তীতে আর সুযোগ পাননি। একই দলের গোলকিপার দাভিদ রায়া প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও উনাই সিমনের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে বসে থেকেছেন। ইংল্যান্ডের অপর গোলকিপার জেমস ট্র্যাফোর্ডও দলের তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে পুরো সময় ডাগআউটে কাটিয়েছেন।

ব্রাজিলের সেন্টার ব্যাক ব্রেমার দলের প্রথম পছন্দের জুটি গ্যাব্রিয়েল ও মার্কিনিওসের কারণে একাদশে জায়গা পাননি। উরুগুয়ের রোনাল্ড আরাউহো চোটের কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন এবং শেষ ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষেও কোচ তাঁকে নামাননি। স্পেনের আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো পুরো টুর্নামেন্ট দর্শক হিসেবে কাটালেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন পদক পেয়েছেন। এছাড়া পর্তুগালের গনসালো ইনাসিও এবং নেদারল্যান্ডসের ম্যাটস উইফারও পুরো টুর্নামেন্টে বেঞ্চেই সময় কাটিয়েছেন।