গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের মূল্যায়ন এবং তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার নতুন একটি অধিদপ্তর গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই তথ্য জানান। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে এই দোয়া ও আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, সরকার নির্যাতিত পরিবারগুলোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চায়। সেই উদ্দেশ্যে নতুন করে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের গেজেটভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানে যারা গেজেটভুক্ত হওয়ার যোগ্য ছিলেন, তাদের অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে এই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলেও, বঞ্চিতদের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য তা পুনরায় চালু করা হয়েছে।
আহমেদ আজম খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী শক্তি যাদের বঞ্চিত করেছে, আমরা তাদের সবার মূল্যায়ন নিশ্চিত করব। এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি জীবিতকালে যেমন ইতিহাস ছিলেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে আছেন। মন্ত্রী দাবি করেন, তার জানাজায় দেড় কোটির বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ টেলিভিশনের মাধ্যমে সেই জানাজা প্রত্যক্ষ করেছেন। এছাড়া খালেদা জিয়া যতবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই জনগণের ভালোবাসা পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

